सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 9, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 9

[ ঝ ]

আধুনিক যুগের সঙ্গীত অনুসন্ধিৎসুদের পক্ষে একান্তভাবেই প্রয়োজন। এই
অভিনবত্ব সম্বন্ধে আমরা যথাস্থানেই আলোচনা করবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু,
আলোচ্য প্রসঙ্গে এ কথাও উল্লেখযোগ্য যে, পারিজাত পাঠ করবার সময়
অনেকের নিকটেই, কয়েকটি সূত্রের বক্তব্য বিষয় সম্পর্কে কিছু সংশয় উপস্থিত
হবে। এই সংশয়গুলির নিরসনের কোন ইঙ্গিত বা নির্দেশ কোথাও না থাকার
জন্য—অন্ততঃ যে কয়খানি মুদ্রিত গ্রন্থ আমাদের সংগ্রহে আছে তার মধ্যে না
থাকায়, আমরা এখানে সেই সংশয়গুলি সম্পর্কে কথঞ্চিৎ আলোচনার সুযোগ
গ্রহণ করা কর্তব্য মনে করছি। যথা—

১৪ পৃষ্ঠার ৭০ সংখ্যক সূত্রে আমরা পাচ্ছি “তদা তীব্রতমাখ্যাঙ্ক” ইত্যাদি।
কিন্তু এটি হওয়া উচিত “তদাতিব্রতমাপ্যাঙ্ক” ইত্যাদি। কারণ, তীব্রতম
গা সম্পর্কে যথাস্থানে যথাযথ ব্যাখ্যাই দেওয়া হয়েছে।

৩০ পৃষ্ঠার ১০৮ সংখ্যক সূত্রে বিকৃত স্বর-মূর্চ্ছনা ষাডব ও ঔড়ব হয় বলে
লেখা আছে। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে এই স্বর-মূর্চ্ছনা সম্পূর্ণ, ষাডব ও ঔড়ব এই
তিন প্রকারেরই হতে পারে!

৩৯ পৃষ্ঠায় ১১৯ সংখ্যক সূত্রে অহোবল বিকৃত মূর্চ্ছনার বিভিন্ন সংখ্যা
দিয়েছেন। এই সংখ্যা বার করবার সময় তিনি কোথাও কোথাও ১-রে ও
৪-গা, ৪-ধা ও ৪-নি ইত্যাদি গ্রহণ করেছেন। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে ৪-টি বিকৃত
গা গ্রহণ করলে ৪-টি বিকৃত রে-কে গ্রহণ করা সম্ভবপর নয়, কারণ, যার
নাম তীব্রতর রে তারই অপর নাম শুদ্ধ গা এবং তাকে গ্রহণ করলে পূর্ব্ব-গা-কে
বাদ দেওয়া চলে না যেহেতু যার নাম পূর্ব্ব-গা তারই অপর নাম শুদ্ধ রে।
তা' ছাড়া তীব্র-রে ও কোমল-গা-ও স্বর হিসাবে অভিন্ন। সুতরাং এদের একত্র
ব্যবহার কিছুতেই সম্ভবপর নয়। অপরপক্ষে, ধা ও নি-র ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা
একই রকমের।

৩৯ পৃষ্ঠার ১২০ সংখ্যক সূত্রে অহোবল “পূর্ব্ব-কোমলৌ” শব্দটি ব্যবহার
করেছেন।—আমরা জানি, তীব্র রে ও তীব্র-ধা যথাক্রমে কোমল-গা ও
কোমল-নি থেকে অভিন্ন, কিন্তু, পূর্ব্ব-গা ও পূর্ব্ব-নি তো এদের থেকে ভিন্ন।
তাহলে, রে-ধা তীব্র ব্যবহৃত হলে পূর্ব্ব-গা-নি ব্যবহার করা যাবে না কেন?—
মনে হয় আলোচ্য সূত্রটি মূলে এ রকম ছিল না; পরবর্তী কালের কোন
নকল নবিশের অসাবধানতায় বিকৃত হয়ে গিয়েছে!