सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 10, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें[ [ ঞ ] ]
১০-১৪ পৃষ্ঠায় ২৮০-২৮৫ সূত্রগুলির মাধ্যমে অহোবল ধ্রুব, মঠ্য প্রভৃতি
তালের বর্ণনা দিয়েছেন। আমরা ঐ তালগুলি সম্বন্ধে, সাধারণভাবে,
সঙ্গীত-রত্নাকরের মতেই উল্লেখ করেছি। কিন্তু, অহোবলের গ্রন্থরচনার
কাল-কে বিচার করলে দেখতে পাবো—ঐ আমলে ধ্রুবতাল ছিল ১৪ মাত্রার,
মঠ্যতাল ছিল ১০ মাত্রার, ত্রিপুট তাল ছিল ৭ মাত্রার, রূপক-তাল ছিল
৬ মাত্রার, ঝম্পতাল ছিল ৯ মাত্রার, অড্ডতাল ছিল ১১ অথবা ১৪ মাত্রার
এবং আদিতাল ছিল ৪ মাত্রার।—অহোবলের ছন্দ-অলঙ্কার সম্পর্কিত বর্ণনা
পড়লে মনে হয়, তিনি তাঁর আমলের মাত্রা-হিসাবই গ্রহণ করেছেন,—
পূর্ববর্তী কালের নয়।
বলা বাহুল্য, আমাদের পূর্বেও একাধিক ব্যক্তি পারিজাত অনুবাদ
করেছেন, কিন্তু লক্ষ্য করবার বিষয় এই যে, পারিজাতের সব চাইতে
প্রয়োজনীয় কথাটির প্রতি কেউই প্রায় সচেতন থাকতে পারেন নি।
অর্থাৎ, পারিজাতের গ্রাম-মূর্চ্ছনা ও রাগ-মূর্চ্ছনার মূলগত পার্থক্য সম্বন্ধে
তাঁরা কেউ বা নীরব থেকেছেন কেউ বা বে-ঠিক তথ্য পরিবেশন করে
গিয়েছেন। পারিজাতের ষোলোশ' রাগটির স্বর-ব্যবস্থা সম্পর্কে স্বর্গত ভাতখণ্ডেজী
যা বলে গেছেন—গ্রাম মূর্চ্ছনার মর্যাদা রক্ষা করে, অমন বক্তব্য যে তিনি
কোন যুক্তিতে পরিবেশন করতে পারলেন আমরা তা বুঝতে পারি না।
এ সম্বন্ধে আমরা যথাস্থানেই আলোচনা করেছি। অপরপক্ষে, পারিজাতের
শুদ্ধ ঠাটকে বর্তমানের বেলাবলের অনুরূপ কল্পনা করেও অনেকে পাণ্ডিত্য
প্রকাশ করেছেন। হাথরাসের কলাকোবিদ পণ্ডিত কলিন্দজী তাদের
অন্যতম। শুনছি, এই ধরণের অনুবাদিত পারিজাত অনেক সরকারী
সাহায্যপ্রাপ্ত প্রখ্যাত সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থরূপে মনোনীত
হয়েছে।
এতাবৎ কালের মধ্যে আমরা যতগুলি পারিজাতের সন্ধান পেয়েছি তার
সবগুলিই অহোবলের রচিত নয়। মনে হয়, সঙ্গীত পারিজাত নামক গ্রন্থটির
খ্যাতি এক সময় এমনই বিস্তারলাভ করেছিল যে অনেকেই স্বরচিত গ্রন্থের
নামকরণ করেছিলেন, ‘সঙ্গীত পারিজাত’। এমন কি জনৈক দক্ষিণী
সঙ্গীতবেত্তাও সঙ্গীত পারিজাত নাম দিয়ে দক্ষিণী সঙ্গীত-পদ্ধতি সম্পর্কিত
পুস্তক রচনা করে গিয়েছেন। অপরপক্ষে, অহোবল বিরচিত সঙ্গীত