सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 8, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 8

[ জ ]
হয় একখানি পারিজাত। এর পর, অর্থাৎ ১৮৯৭ খৃষ্টাব্দ থেকে ১৯১২ খৃষ্টাব্দের
মধ্যে কোন সময়, জ্যোতিষ-তন্ত্রাদি শাস্ত্রগ্রন্থ প্রণেতা, ঢাকা জেলার বুতুনী
গ্রাম নিবাসী স্বৰ্গতঃ রসিকমোহন চট্টোপাধ্যায় ‘অরুণোদয়’ নামক একটি মাসিক
পত্রিকায় পারিজাতের ৪১৭টি সূত্র বাঙলা হরফের সংস্কৃত ভাষায় প্রকাশ
করেন এবং উক্ত সূত্রগুলিকে পৃথক পুস্তিকাকারেও প্রচার করেন ‘শিব-তন্ত্র’
নামক পুস্তিকার সংযোজিত অংশরূপে। এই আমলেই, অর্থাৎ ১৯১২ খৃষ্টাব্দে
পূণার স্বৰ্গতঃ ভালচন্দ্র সীতারাম সুকথনকার এম. এ, কর্তৃক নির্ণয় সাগর
প্রেস থেকে একখান পারিজাত মহারাষ্ট্রীয় ভাষার অনুবাদসহ প্রকাশিত হয়।
অতঃপর আমরা দেখতে পাই, হাথরাস এর সঙ্গীত কাৰ্য্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত
হিন্দী অনুবাদসহ একখানি ৫০০ সূত্র সমন্বিত পারিজাত। হিন্দী গ্রন্থটি
প্রকাশিত হয় ১৯৪১ খৃষ্টাব্দে এবং অনুবাদকের নাম হচ্ছে সঙ্গীত কলাকোবিদ
পণ্ডিত কালিন্দজী। কিন্তু, বাঙলা-ভাষাভাষাদের সুবিধার জন্য আজও পর্যন্ত
পারিজাতের কোন বঙ্গানুবাদ তথা টীকা-ভাষ্য গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় নি।
সঙ্গীত পারিজাতের বঙ্গানুবাদ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত না হলেও পত্রিকায়
প্রকাশিত হয়েছিল। ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ থেকে ১৩৪৫ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ
পর্যন্ত সঙ্গীত বিজ্ঞান প্রবেশিকা পত্রিকায় স্বৰ্গতঃ ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
(গৌরীপুর) কর্তৃক পারিজাতের প্রথম কাণ্ডটি বাঙলা ভাষায় অনুবাদিত হয়ে
প্রকাশিত হয়েছিল। এই অনুবাদ কার্যে চৌধুরী মহাশয়কে সহায়তা
করেছিলেন কয়েকজন সঙ্গীত-তত্ত্বজ্ঞ সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত এই
অনুবাদ কার্যটিকে রায়চৌধুরী মহাশয় গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা অনুচিত বিবেচনা
করেছিলেন—বিশেষ বিবেচনা করেই।
এ ছাড়াও, পারিজাতের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছু ভাল-মন্দ প্রবন্ধও আমরা
পাঠ করবার সুযোগ পেয়েছি বিভিন্ন সাহিত্য ও সঙ্গীত বিষয়ক পত্র-পত্রিকার
কল্যাণে। কিন্তু, পারিজাতের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে সঙ্গে তার যথোচিত টীকা-
ভাষ্য করবার প্রচেষ্টা এবং সেই প্রচেষ্টাকে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করবার বিড়ম্বনা
ইতিপূর্বে আর কেউ ভোগ করেছেন কিনা, আজও পর্যন্ত তা জানতে
পারি নি।
পারিজাত-পাঠক লক্ষ্য করবেন, অহোবল তাঁর পূর্ববর্তী সঙ্গীত-রত্নাকর
প্রভৃতি শাস্ত্রগ্রন্থাদির অভিমত প্রামাণ্যরূপে গ্রহণ করেও, বিকৃত-স্বর, শ্রুতি,
মেল প্রভৃতি সম্বন্ধে এমন কিছু অভিনব ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছেন যার স্বরূপ জানা