सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 329, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंছন্দেই চর্চরী গাওয়া হোক না কেন, চর্চরীর সম্পর্কে এলেই সেই ছন্দটির নামও
চর্চরী-যুক্ত হয়ে যেতো।
চর্চরী গান মূলতঃ ছিল উদ্গ্রাহ ও ধ্রুব-যুক্ত দ্বি-ধাতুক প্রবন্ধ। কিন্তু,
আভোগ অনুষ্ঠানের দ্বারা একে ত্রি-ধাতুক করবার ব্যবস্থাও ছিল। চর্চরী
ছিল পদ ও তালযুক্ত দ্বি-অঙ্গ বিশিষ্ট প্রবন্ধ। অর্থাৎ, তারাবলী জাতীয় নির্যুক্ত
প্রবন্ধ।
আমাদের দেশে অনেক গুণীজ্ঞানী মনে করেন, প্রাচীন চর্চরী গীতির সঙ্গে
বর্তমানের চাঁচর গানের সম্বন্ধ ঘনিষ্ঠ। বলা বাহুল্য, ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে
চাঁচর গানের অস্তিত্বও অতি-প্রাচীন। প্রাচীন চর্চরীর সঙ্গে হয়তো একদা
তার ছিল সম্পর্কযুক্ত। কিন্তু, আমাদের জানিত চাঁচরের রাগ ও তালের
সঙ্গে বিলুপ্ত চর্চরীর রাগ ও তালের আপাততঃ কোন মিল দেখতে পাচ্ছি
না। । ৫৮৬/১ ।
পদৈশ্চ বিরুদৈস্তদ্বৎ স্বর পাটকৈঃ ॥ ৫৮৬।২
যে বদ্ধ গানে পদ, বিরুদ, স্বর ও পাট ব্যবহৃত হয়, তাকেই বলে হর্ষবর্ধন
প্রবন্ধ। ৫৮৬।২
টিপ্পনীঃ হর্ষবর্ধন সম্পর্কে পারিজাতকার যা বলেছেন, তার সঙ্গে
রত্নাকরের যথাযথ সামঞ্জস্য দেখা যায়। প্রবন্ধটি গাওয়া হতো তালে, অধিকন্তু,
পদ, বিরুদ, স্বর ও পাটযুক্ত ছিল। অর্থাৎ, হর্ষবর্ধন ছিল পঞ্চাঙ্গযুক্ত,
নন্দিনীজাতীয় নির্যুক্ত প্রবন্ধ। তবে, এর অঙ্গ-ব্যবস্থা সম্পর্কে রত্নাকরের
টীকাকারদ্বয়ের মধ্যে মতভেদ দৃষ্ট হয়। কল্লিনাথ বলেছেন, হর্ষবর্ধন ছিল
দ্বি-ধাতুক প্রবন্ধ। এর উদ্গ্রাহ অংশে থাকতো পদ ও বিরুদ এবং ধ্রুব অংশ
রচিত হতো স্বর ও পাট সহযোগে। অপরপক্ষে, সিংহ ভূপাল বলেছেন, হর্ষবর্ধন
ছিল কেবলমাত্র পদ ও বিরুদ যুক্ত প্রবন্ধ। সম্ভবতঃ, হর্ষবর্ধন চিরকালই নন্দিনী
জাতীয় প্রবন্ধ ছিল না। ৫৮৬।২
তাল-মানদ্বয়ং য্যাসৌ ভবেচ্ছ্রীবর্ধনাভিধঃ ॥ ৫৮৭।১
যে প্রবন্ধ গান তাল-মান সহযোগে গীত হয়, তাকেই বলে শ্রীবর্ধন
প্রবন্ধ। ৫৮৭।১
টিপ্পনীঃ শ্রীবর্ধন প্রবন্ধর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার কেবলমাত্র
তাল-মানের কথা বলেছেন, অঙ্গাদি সম্বন্ধে কোন কথা বলেন নি। এই অতি