सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 330, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩১৬ সঙ্গীত পারিজাত
সংক্ষিপ্ত পরিচিতির কারণ দ্বিবিধ হতে পারে। হয়তো পরবর্তী কালের কোন
নকল-নবিশীর অসাবধানতার জন্য মূল সূত্রের মধ্যে থেকে কিছু অংশ বাদ পড়ে
গিয়েছে। কিংবা, প্রবন্ধটি অহোবলের আমলে এতই বেশী প্রচলিত ছিল যে,
অতি পরিচয় নিবন্ধন স্বয়ং গ্রন্থকারহ অসাবধান হয়েছিলেন। রত্নাকরে দেখা
যায়, শ্রীবর্ধন ছিল বিরুদ, পাট, পদ ও স্বরযুক্ত নন্দিনী জাতায় নিযুক্ত প্রবন্ধ।
প্রবন্ধটি ছিল দ্বি-ধাতুক। এর উদগ্রাহ অংশ রচিত হতো বিরুদ ও পাট
সহযোগে এবং ধ্রুব অংশে থাকতো পদ ও স্বর। সর্ব্বোপরি, গান শেষ করা
হতো তাল-মান বজায় রেখে।
বর্তমানে দেখা যায়, অনেক গুণীজ্ঞানী তাল-মান কথাটি অভিন্ন অর্থেই
ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু, আমাদের স্মরণ রাখা কর্তব্য, প্রাচীন যুগের
পণ্ডিতগণ পারতপক্ষে এমন কোন বাক্যের ব্যবহার করতেন না যার ফলে
ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি হতে পারে। বাক্য হিসেবে “তাল-মান” অভিন্ন সংজ্ঞার
অন্তর্গত একটি কথা নয়—বিভিন্ন সংজ্ঞার পরিচায়ক দুটি কথা। ‘মান’ কথাটা
অবশ্য গতি-নির্দেশক, কিন্তু, সে গতি, তাল-মাত্রা-লয়-এর গতি নয় – উক্ত
তাল-মাত্রা-লয়-এর মধ্যে নিবদ্ধ মূল বাণীর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য-জ্ঞাপক গতি—
যে গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করার প্রয়োজনে, উক্ত তালেরই “মান” কে
তদনুরূপ প্রকৃতি গ্রহণ করতে হয়। যেমন, ধ্রুপদ ধামার প্রভৃতি গানের
বাঁট-উপজের গতি। আলোচ্য ক্ষেত্রে তাল-মাত্রা-লয়-বরাবর থাকে ; কিন্তু
বাণী ও বোলের গতি দ্রুত হয়ে যায়। ॥ ৮৭১ ॥
মধ্য মধ্য স্বরৈঃ র্যঃ স্যাৎ ( ? ) স্বরাঙ্গ সোঽভিধীয়তে। ॥ ৮৭২ ॥
যে প্রবন্ধ গানের মধ্য ধাতুতে অর্থাৎ ধ্রুব ধাতুতে স্বরের প্রয়োগ হয়,
তাকেই বলে স্বরাঙ্গ প্রবন্ধ। ॥ ৮৭২ ॥
টিপ্পনী : পারিজাতের স্বরাঙ্গ প্রবন্ধ সম্পর্কে আলোচ্য সূত্রের বক্তব্যটি
নিতান্তই দুর্বোধ্য। রত্নাকরে স্বরাঙ্গ নেই, স্বরাঙ্ক আছে। এবং, এই
স্বরাঙ্ক প্রবন্ধর টীকা-ভাষ্য আলোচনা করেই, আলোচ্য সূত্রের ‘মধ্য’ শব্দটিকে
আমরা মধ্যম ধাতু, অর্থাৎ, ধ্রুব ধাতুরূপে অনুমান করছি। কিন্তু, পরের
পর দুটি ‘মধ্য’ শব্দ ব্যবহার করে পারিজাতকার কী বোঝাতে চেয়েছেন,
সেটা কিছুতেই ধরতে পারছি না। একটি ‘মধ্য’ অর্থে যদি আমরা মধ্যম
ধাতুকে গ্রহণ করি, তাহলে অপর ‘মধ্য’টির অর্থ কী হতে পারে? মধ্যম