सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 328, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 328

আলোচ্যক্ষেত্রে, চর্চার পাটযুক্ত রূপ গ্রাহ্য হতে পারে না যেহেতু, পূর্বেই
বলেছি, প্রামাণ্য চর্যার মধ্যে পাটের অস্তিত্ব পরিলক্ষিত হয় না। কিন্তু,
এ কথাও স্বীকার্য যে আমাদের দেশে এমন পদ্ধতির আধ্যাত্মিক গান প্রচলিত
ছিল এবং আজও রয়েছে, যার লিখিত পরিচয়ের মধ্যে পাটের অস্তিত্ব না
থাকলেও, প্রয়োগের ক্ষেত্রে পাটের অস্তিত্ব প্রকট হয়ে ওঠে। আমরা এখানে
উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের জবাবী বাজনার কথা বলছি না, বিভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন
সম্প্রদায়ের মধ্যে এমন গান প্রচলিত ছিল এবং আজও রয়েছে যার পদযুক্ত
গীতাংশ শেষ হলে, চর্মবাদ্যের বোল বাজতো। যথা', গানের কিছুটা অংশ
গেয়ে গায়ক বা গায়কগণ নিবৃত্ত হতেন, তখন বাদ্যকার আরম্ভ করতেন ত ব
বাজনা। আবার বাজনা থামলে গায়ক বা গায়কগণ গানের বাকি অংশ
গাইতে আরম্ভ করতেন। এবং এইভাবে চলতো থাকতো এই পদ্ধতির
গান। ইতিহাসের দিক দিয়েও, এ রকম গীতি-রীতির উল্লেখ পাওয়া যায়।
আকবরের সমসাময়িক বদাউনীও তাঁর গ্রন্থের মধ্যে অনুরূপ গীতি-রীতির
পরিচয় দিয়ে গিয়েছেন দরবেশ সম্প্রদায়ের গীতি রীতির আলোচনা প্রসঙ্গে।
সুতরাং এমন অনুমানকে প্রশ্রয় দেওয়া বোধহয় অসঙ্গত হবে না যে,
পারিজাতের আমলের চর্চরী-গীতের মধ্যে পাটের অস্তিত্ব লিখিতভাবে না
থাকলেও প্রয়োগ-সাপেক্ষ ছিল। এবং সেই কারণেই চর্চাকে আমরা দ্বি-অঙ্গের
পরিবর্তে ত্রি-অঙ্গ-যুক্ত প্রবন্ধরূপে দেখতে পাচ্ছি।
চর্চরী প্রবন্ধ সম্পর্কে পারিজাতকার যা বলেছেন তার সঙ্গে রত্নাকরের
সামঞ্জস্য আছে। পারিজাতের চর্চরী ‘স্বাদ্বন্ত’ পদ দ্বারা সুশোভত থাকতো।
রত্নাকরও বলছেন, চর্চরীতে অসংখ্য পদ থাকে এবং যথাযথভাবে দুটি পাদের
শেষ অক্ষরে মিলও রক্ষা করা হয়। চর্চরী প্রবন্ধ গাওয়া হতো সাধারণতঃ
চর্চরী তালে এবং কেবলমাত্র হিন্দোল রাগে। চর্চরী তালের লক্ষণ হচ্ছে
( ০০’ ০০’ ০০’ ০০’ ০০’ ০০’ ০০’ ০০’ । ) বিরামান্ত দুটি দ্রুত মাত্রার আটটি
সমাবেশ এবং শেষে একটি লঘু মাত্রা। অপরপক্ষে, সেদিনকার হিন্দোল
রাগটিও বর্তমানের হিন্দোলের মতো ছিল না। পারিজাতের আমলে প্রচলিত
হিন্দোলের রূপ ছিল রে-পা বর্জিত জ্ঞ-দ-ণ। অর্থাৎ, ঔড়ব জাতীয় আশাব্বারী
ঠাটের রাগ ছিল হিন্দোল।
চর্চরী গান চর্চরী তাল ছাড়া ক্রীড়াতালেও গাওয়া যেতে পারতো এবং
ধত্তা-ছন্দ বা অনুরূপ যে কোন ছন্দে গাইবার ব্যবস্থাও ছিল। কিন্তু, যে কোন