सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 322, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩০৮ সঙ্গীত পারিজাত
একস্মিন্নেব সময়ে চত্বার স্তাল ধারিণঃ।
চতুর্ম্মুখঃ স বিজ্ঞেয়ঃ সমকালেন শোভিতঃ ॥ ৫৮১
যে প্রবন্ধর মধ্যে সমকালে চারটি তাল বিদ্যমান থাকে এবং গাইবার সময়
চারজন তালাধ্যায়ীর প্রয়োজন হয় এই চারটি তালকে দেখাবার জন্যে—সেই
চারটি তালের দ্বারা সুশোভিত প্রবন্ধ চতুর্মুখ নামে প্রখ্যাত। ৫৮১
টিপ্পনী : চতুর্মুখ প্রবন্ধ পরিচিতি প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন
তার সঙ্গে রত্নাকরের সামঞ্জস্য নেই। পারিজাতকার বলেছেন, এই প্রবন্ধ
গাইবার সময় চারজন তালাধ্যায়ীর প্রয়োজন হতো তাল রক্ষার জন্যে।
অর্থাৎ, এমনই কোন তালের সাহায্যে এই প্রবন্ধটি গীত হতো যার মাত্রা
সংখ্যা ছিল অভিন্ন কিন্তু বিভাগ ছিল চতুবিধ। বলা বাহুল্য, এই চার রকম
মাত্রাবিভাগজনিত তালটি চার রকম তালের মূর্ত্তি পরিগ্রহ করতো বলেই
গানের সময় চারজন তালধারীর প্রয়োজন হতো। এবং শেষে সম্ এসে
পড়ত যথাস্থানেই। মনে হয়, তাল প্রদর্শনের এই বিচিত্র ব্যবস্থার জন্যই
প্রবন্ধটি চতুর্মুখ নামে প্রখ্যাত হয়েছিল। কিন্তু, রত্নাকরে চতুর্মুখের বৈশিষ্ট্য
সম্পর্কে কোন আলোচনাই স্থান পায়নি।
চতুর্মুখ প্রবন্ধের পাদের সংখ্যা ছিল চারটি এবং এই চারটি পদে যথাক্রমে
ব্যবহৃত হতো চারটি বর্ণ। যথা—১ম পদে, স্থায়ী বর্ণ, নিবদ্ধ স্বরানুষ্ঠান
করা হতো। ২য় পদে, আরোহী বর্ণে, পাট্ প্রযোজিত হতো। ৩য় পদে
বাক্যাংশের সঙ্গে যুক্ত থাকতো অবরোহী বর্ণ। ৪র্থ পদে, সঞ্চারী বর্ণে,
তেনকের অনুষ্ঠান করা হতো।
চতুর্মুখ প্রবন্ধে চারটি বর্ণের যথাযথ প্রয়োগ লক্ষ্য করবার মতো। হয়তো,
চারটি বর্ণের দ্বারা গঠিত ছিল বলেই প্রবন্ধটি চতুর্মুখ নামে প্রচলিত হয়েছিল।
চতুর্মুখের প্রথম পাদ দুটি ছিল উদ্গ্রাহ ও শেষের পাদ দুটি ছিল ধ্রুব ধাতুর
অন্তর্গত। সুতরাং এটি ছিল একটি দ্বিধাতুক আনন্দিনী জাতীয় নির্যুক্ত
প্রবন্ধ। ইচ্ছে করলে আভোগ অনুষ্ঠানের দ্বারা চতুর্মুখকে ত্রিধাতুকও করা
যেতে পারতো। কিন্তু, সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি গাইবার পর গান শেষ করতে হতো
উদ্গ্রাহে। ৫৮১
পদৈশ্চ বিরুদৈ স্তেনৈঃ সুদর্শনো নিগদ্যতে। ৫৮২।
বিরুদ ও তেনক দ্বারা নিবদ্ধ এবং অনেকগুলি পদের সাহায্যে সুশোভিত
প্রবন্ধকে সুদর্শন প্রবন্ধ বলে। ৫৮২।