सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 323, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ৩০৯
টিপ্পনী : সুদর্শন প্রবন্ধর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন তার
সঙ্গে রত্নাকরের সামঞ্জস্য আছে। পারিজাতে অনেকগুলি পদের কথা উল্লিখিত
হয়েছে; কিন্তু রত্নাকরে উল্লিখিত হয়েছে তিনটি “খণ্ড”র কথা। অর্থাৎ এই
খণ্ডত্রয়ের উল্লেখ দ্বারা বহুপদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হচ্ছে। কিন্তু, এই খণ্ডত্রয়ের
মধ্যে কতগুলি করে পদ বর্তমান থাকতো; অথবা, শিল্পী তার ইচ্ছানুযায়ী
পদের সংখ্যা বাড়াতে বা কমাতে পারতেন কিনা সে সম্বন্ধে রত্নাকরে কিছু
আলোচিত হয়নি। সুদর্শনের প্রথম খণ্ডটি ছিল নিরঙ্কুশ বাক্যাংশযুক্ত পদ;
দ্বিতীয় খণ্ডটি ছিল বিরুদযুক্ত এবং তৃতীয় খণ্ডের প্রতিপাদ্য ছিল তেনক।
প্রবন্ধর প্রথম খণ্ডটি হতো উদ্গ্রাহ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড মিলে হতো
ধ্রুব। সুতরাং, সুদর্শন ছিল একটি দ্বিধাতুক দীপনী জাতীয় নির্যুক্ত প্রবন্ধ।
সম্ভবতঃ, আভোগ অনুষ্ঠানের দ্বারা একে ত্রিধাতুক করবারও ব্যবস্থা
ছিল। ॥৮২১॥
ত্রিভি রাগৈস্ত্রিভিস্তালৈ স্ত্রিভঙ্গী স্যাৎ ষড়ঙ্গকঃ ॥ ৮২২॥
যে প্রবন্ধর অঙ্গ হচ্ছে ছয়টি এবং যা তিনটি রাগ ও তিনটি তালের দ্বারা
বিরচিত হয়ে থাকে, তাকেই বলে ত্রিভঙ্গি প্রবন্ধ। ॥৮২২॥
টিপ্পনী : ত্রিভঙ্গি প্রবন্ধর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন
তার সঙ্গে রত্নাকরের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। অহোবলের বক্তব্য অনুযায়ী
ত্রিভঙ্গি ছিল ছয় অঙ্গযুক্ত প্রবন্ধ। কিন্তু রত্নাকরে, এটিকে স্বর, পাট্ ও
পদযুক্ত তিন অঙ্গের দীপনী জাতীয় নির্যুক্ত প্রবন্ধরূপে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অপরপক্ষে, পারিজাতকার বলেছেন ত্রিভঙ্গিতে তিনটি রাগ ও তিনটি তাল
ব্যবহৃত হয়, কিন্তু রত্নাকর বলেছেন, ত্রিভঙ্গি পাঁচটি প্রকার ভেদের মধ্যে
একটিতে তিনটি রাগ ও তিনটি তালের প্রয়োগ হয়ে থাকে। ত্রিভঙ্গির পাঁচটি
প্রকার ভেদের পরিচয় হচ্ছে, যথাক্রমে—
১। যে প্রবন্ধ ত্রিভঙ্গি তালে গীত হয়। ত্রিভঙ্গি তালের লক্ষণ হচ্ছে
ত্রিভঙ্গিঃ স-গণাদ্ গুরুঃ। অর্থাৎ, ( IISS ) পরের পর দুটি লঘু ও দুটি
গুরুমাত্রার প্রয়োগ।
২। যে প্রবন্ধ ত্রিভঙ্গি ছন্দে গীত হয়। এই ছন্দটি ছিল গাথা ছন্দের
অসংখ্য প্রকার ভেদের অন্যতম।
৩। যে প্রবন্ধে তিন রকম রাগ ও তিন রকম তাল প্রযুক্ত থাকে।
৪। যে প্রবন্ধ যে কোন তিন রকম ছন্দের মাধ্যমে গীত হয়ে থাকে।