सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 321, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 321

এবম্বিধং দ্রুতত্রয়ং।” অর্থাৎ, ( 10001 ) আদিতে একটি লঘুমাত্ৰা, মধ্যে তিনটি
দ্রুতমাত্রা ও অন্তে আবার একটি লঘুমাত্ৰা। কল্লিনাথের বক্তব্যও সিংহভূপালেরই
অনুরূপ। অপরপক্ষে, রত্নাকরের প্রায় সমসাময়িককালেই বিরচিত সঙ্গীত
সময়সার গ্রন্থে দেখা যাচ্ছে “সিংহলীলে বিধাতব্যং লঘু দ্ব্যদ-মন্ত দ্রতত্রয়ম্”।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, সিংহভূপাল ও কল্লিনাথ রত্নাকরের টীকা করেছেন বটে
কিন্তু সিংহলীল তালের সঠিক পরিচিতি প্রসঙ্গে সমর্থন জানিয়েছেন শার্ঙ্গদেবকে
নয়—সমসাময়িককালের আর একজন গ্রন্থকার পার্শ্বদেবকে। সুতরাং
আলোচ্যক্ষেত্রে এমন অনুমান করা অসঙ্গত হবে না যে, সিংহলীল তালের
“10001” এই বিভাগটিই রত্নাকর ও সঙ্গীত সময়সারের আমলে প্রচলিত ছিল
এবং শার্ঙ্গদেব সম্ভবতঃ সিংহলীলের কোনও একটি “পূর্ব প্রসিদ্ধ” রূপ লিপিবদ্ধ
করবার সঙ্গে সঙ্গে তার “অধুনা প্রসিদ্ধ” মাত্রা-বিভাগটির কথা লিখে রেখে
যেতে ভুলে গিয়েছিলেন।
সিংহলীল তালে গঠিত সিংহলীল প্রবন্ধ, স্বর, পাট, বিরুদ ও তেনক দ্বারা
রচিত হতো। এর মধ্যে স্বর ও পাট সহযোগে গীত অংশটি হতো উদ্‌গ্রাহ এবং
বিরুদ ও তেনক সহযোগে গীত অংশটি হতো ধ্রুব। অর্থাৎ, সিংহলীল ছিল
দ্বিধাতুক মেদিনীকাতীয় নিরুক্ত প্রবন্ধ। বলা বাহুল্য, গতিবিক্ত পদ যুক্ত
করে এর মধ্যে আভোগ অনুষ্ঠান করবারও সুযোগ সর্বদা ছিল। সে ক্ষেত্রে
সিংহলীল হয়ে যেত ত্রিধাতুক। ৫৮০-১
হংসলীলোহপি তালেন হংসাখ্যেন সুখপ্রদঃ। ৫৮০।২
হংসলীল তালে গঠিত প্রবন্ধকে হংসলীল প্রবন্ধ বলে। এটি একটি শ্রুতিমধুর
প্রবন্ধ। ৫৮০।২
টিপ্পনীঃ চর্চ্চরী পদ্যাও হংসলীল তালে গীত হতো। হংসলীল
তালটি ছিল “বিরামান্তং লঘুদ্বন্দ্বলক্ষিতম্।” অর্থাৎ ( । - । - । বিরামযুক্ত
দুটি লঘুমাত্রার প্রয়োগ দ্বারা হংসলীল তাল গঠিত হতো। কিন্তু, আলোচ্য
ক্ষেত্রেও রত্নাকর ও তার টিকাকার সিংহভূপালের মধ্যে মতভেদ দৃষ্ট হয়।
সিংহভূপাল বলেছেন, হংসলীলের দ্বিতীয় মাত্রাটিই কেবল বিরামযুক্ত।
হংসলীল প্রবন্ধের পাদের সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি। প্রথম পাদটি ছিল
বাক্যাংশযুক্ত উদ্‌গ্রাহ ও দ্বিতীয় পাদটি ছিল পাটযুক্ত। অর্থাৎ এটি ছিল
দ্বিধাতুক ভাবনীজাতী নিরুক্ত প্রবন্ধ। তবে, অন্যান্য অনেক দ্বিধাতুক প্রবন্ধর
মতো একেও আভোগ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ত্রিধাতুক করা যেত। ৫৮০।২