सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 86, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 86

৭০ সঙ্গীত পারিজাত

তেষ্বেবাত্র ক্ষিপেল্লোষ্টং লোষ্টস্থানমিতিস্বরঃ।
অবরোহক্রমেণৈব মূলং ত্যক্ত্বা ক্রমো ভবেৎ ॥ ২১৭
অথবা লোষ্টসংখ্যান্ত্যেলোষ্টস্থানং স্বরস্য চ ॥ ২১৮
ইতি মূর্চ্ছনা-প্রস্তার নষ্টে'দ্দিষ্ট-প্রকরণম্।
নষ্ট কূটতান সমূহের স্বরূপ নির্ণয় করতে হলে, প্রথমতঃ মূলক্রমের
সংখ্যার সঙ্গে যথাযথ সংখ্যা যোগ করে, যথাক্রমে, নিৰ্দ্দিষ্ট সংখ্যাটিকে বার
করে নিতে হয়। অর্থাৎ, “সা-রে-গা-মা”, এই চতুঃস্বারিক কূটতানের ১৮
সংখ্যক তানটি কী? অর্থাৎ, তানটি “রে-গা-মা-সা” হবে, না, ‘মা-গা-সা-
রে” হবে, অথবা “মা-সা-গা-রে” হবে, কিংবা “মা-রে-সা-গা” হবে? এই
ধরণের সমস্যার সমাধান হ’তে পারে কী উপায়ে? স্বরূপ মনে না থাকলেও
এ ক্ষেত্রে, সংখ্যাটা যখন স্মরণ আছে, তখন সর্ব্বাগ্রে ঘুঁটি সাজিয়ে নেওয়াই
বাঞ্ছনীয়। দেখতে হবে, “মা-গা-রে-সা”-র সা, অর্থাৎ সা-য়ের ১ সংখ্যাটি
ছাড়া বাকী ১৭ সংখ্যাটা খণ্ডমেরুর আর কোন কোন সংখ্যা-যুক্ত ঘরের
যোগফলের দ্বারা সম্ভবপর হ’তে পারে। সম্ভব হ’তে পারে, ১২+৪+১
( = ১৭ ) সংখ্যক ঘরের যোগফলে। মনে রাখতে হবে, ব্যাপারটা নিতান্তই
চতুঃস্বারিক, ত্রিস্বারিক, ঔড়ব বা ষাড়ব নয়। অর্থাৎ ১২+৫ বা ১২+
৩+২ বা এই ধরণের কোন যোগফলের দ্বারা সংখ্যা নির্ণয়ের চেষ্টা
অর্থহীন, এ ক্ষেত্রে ১২+৪+১ ছাড়া গত্যন্তর নেই।
অতঃপর দেখতে হবে, ১২ সংখ্যাটা চতুঃস্বারিক তানের কোন ঘরে
আছে। দেখা গেল, তৃতীয় ঘরে আছে। অতএব পাওয়া গেল রে।
কারণ, “সা-রে-গা-মা” মূলক্রমের অন্তস্বর মা থেকে তৃতীয় স্বর হচ্ছে রে।
বাকি রইল “সা-গা-মা”। অর্থাৎ মূলক্রম হ’লো ত্রিস্বারিক। সঙ্গে সঙ্গে
দেখতে হবে, পূর্ব্বোক্ত ১২ সংখ্যাযুক্ত ঘরটির পরবর্তী ঘুঁটিটি আছে কোন
ঘরে এবং সেই ঘরটি ত্রিস্বারিক কূটতানের কত নম্বর ঘর। দেখা গেল
ঘুঁটি আছে ৪ নম্বর ঘরে এবং ঘরটি হ’চ্ছে ত্রিস্বারিক কূটতানের তৃতীয়
ঘর। সুতরাং পাওয়া গেল সা। কারণ, “সা-গা-মা” রূপ ত্রিস্বারিক
মূলক্রমের শেষস্বর মা থেকে তৃতীয় স্বর হ’চ্ছে সা। অতএব এ পর্যন্ত
পাওয়া গেল “সা-রে”। বাকি রইল “গা-মা”। অর্থাৎ মূলক্রমটি হ’লো