सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 85, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ৬৯
একেবারে অচল হবে, পরিক্রমায়মান সেই সেই ঘরের সংখ্যাগুলি যোগ করে
নির্ণয় করতে হবে উদ্দিষ্ট কূটতানের সমষ্টি সংখ্যা! যেমন :
পূর্ব্বোক্ত চতুঃস্বারিক উদ্দিষ্টতান “মা-গা-সা-রে”-র শেষস্বর হিসাবে
ইতিমধ্যে আমরা রে স্বরটিকে পেয়েছিলাম। অতঃপর, এই রে স্বরটি
পরিত্যাগ করলে, বাকি থাকে “মা-গা-সা”-র ক্রম। স্মরণ রাখতে হবে
এই “মা-গা-সা” ক্রমের অন্ত্যস্বর বা শেষ স্বর হ’চ্ছে সা। অপরপক্ষে
মূলক্রম “সা-রে-গা-মা”-র রে বর্জ্জন করলেও “মা-গা-সা”-র অন্ত্যস্বর হয় মা।
অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে, “মা-গা-সা”-র-“মা”-র সঙ্গে “সা”-র যোগসূত্র হ’চ্ছে তিন
স্বরের। অতএব, এবার ঘুঁটি বসবে ত্রিস্বারিক তানের ৪ অঙ্কযুক্ত ঘরে।
ফলে, পাওয়া গেল ১২ + ৪ = ১৬ সংখ্যা।
অতঃপর দেখতে হবে, এই পদ্ধতি অনুসরণ করে, আরও কোন সংখ্যা
বার করা যায় কিনা। অবশ্যই যায়। চার স্বর ও তিন স্বরের হিসাবের
মতো দ্বিস্বারিক কূটতানেরও একটা হিসাব আছে। যেমন, ত্রিস্বারিক মূল
ক্রম যদি “সা-গা-মা” হয় এবং উদ্দিষ্ট তান যদি হয় “মা-গা-সা”, তাহলে
মূল ও উদ্দিষ্ট উভয়েরই অন্ত্যস্বর হয় “সা-মা”। সুতরাং, বাকি থাকে একটি
মাত্র স্বর “গা”। এখন দেখতে হবে এই “গা” স্বরটির সঙ্গে মূলক্রমের
অন্ত্যস্বর “মা”-র যোগসূত্র কত। মা-গা অর্থাৎ দুই স্বরের। অতএব ঘুঁটি
বসাতে হবে দ্বিস্বারিক তানের ১ অঙ্কযুক্ত ঘরে। অতঃপর :
সা-রে-গা-মা মূলক্রমের অন্তর্গত “মা-গা-সা-রে”-র উদ্দিষ্ট নির্ণয় করতে
করতে, যথাক্রমে, “রে-গা-মা”-১২ + ৪ + ১ = ১৭কে পাওয়া গেল। বাকি
থাকল, মূল ও উদ্দিষ্ট উভয়েরই একটি মাত্র স্বর সা। পূর্ব্বেই (২০৪ সূত্রে)
বলা হয়েছে, একটি মাত্র স্বর নিয়ে ক্রম রচনা করা যায় না; সংখ্যাটি
একই থাকে। সুতরাং মূল ও উদ্দিষ্ট উভয়েরই স্বর সংখ্যা যখন কমতে
কমতে “সা”-তে এসে ঠেকে, তখন ঘুঁটি আর চলে না। অতএব,
“মা-গা-সা-রে” এই তানটি হবে, “সা-রে-গা-মা”-রূপ চতুঃস্বারিক কূটতানের
১২+৪+১+মূল ক্রমের সা=১৮ সংখ্যক তান।—২১৪-২১৫
অতঃপর পারিজাতকার নষ্টতান নির্ণয়ের প্রণালী নির্দেশ করছেন :
রূপাভাবেন নষ্টং স্যাৎ সংখ্যামাত্রপুরঃসরম্।
যৈরঙ্কৈর্নষ্টসংখ্যা স্যাম্মূলেকাক সমন্বিতাঃ ॥ ২১৬