सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 344, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 344

৩০ সঙ্গীত পারিজাত
পরিমাণে খেয়ালের অস্তিত্ব থাকার কারণে আলোচ্য গানগুলির বন্দিশ হয়তো বা
চঞ্চল ছিল তথা স্বর-প্রয়োগের আধিক্যজনিত সুর-বিহারে আকর্ষণীয় হয়ে
উঠত। বলা বাহুল্য, 'নওরস-ই আদিল' গ্রন্থে স্বরলিপির অস্তিত্ব নেই—অর্থাৎ
গ্রন্থের গানগুলি কী ধরণের ছিল সে সম্বন্ধে কিছুই জানবার উপায় নেই আমাদের
তবুও ব্যতিক্রমের নজীর হিসাবে এই গীতি-রীতিটার উল্লেখ করা যেতে পারে,
যদিও—গানগুলি এমনই কাব্য ধর্মী যে এর বন্দিশের মধ্যে স্বরাধিক্য-নিবন্ধন
সম্ভাব্য চাঞ্চল্যকে মেনে নিতে মন চায় না।
অতঃপর বিবেচ্য, পারিজাতের পূর্ববর্তী রত্নাকবে যে ধ্রুবপদের পরিচয়
উল্লিখিত হয়েছে, তার সঙ্গে আলোচ্য স্বর-প্রধান ধ্রুবপদের কোন সামঞ্জস্য
আছে কিনা। রত্নাকরের ধ্রুবপদ 'জয়ন্ত' 'শেখর' প্রভৃতি ষোলটি প্রকার
ভেদের দ্বারা চিহ্নিত হয়েছে—অক্ষর-সংযুক্তির সংখ্যানুপাতে। অর্থাৎ,
রত্নাকরের ধ্রুবপদের প্রথম প্রকার জয়ন্ত' ছিল একাদশ অক্ষরযুক্ত প্রবন্ধ এবং
সর্বশেষ প্রকার 'ললিত' ছিল চাব্বিশ অক্ষরযুক্ত প্রবন্ধ। প্রবন্ধগুলির অক্ষরের
মতো ভাব তাল ও রসও ছিল বিভিন্ন। কিন্তু, এত অক্ষর অর্থে শাঈ দেব
ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন সেটাই বিবেচ্য। অধিকন্তু বিবেচ্য রত্নাকরের
অন্যতম টীকাকার কল্লিনাথের মন্তব্য। তিনি বলে গেছেন, তার সময়ে
(১৪৫৬-১৪৭৭ খৃঃ) উক্ত ধ্রুবপদগুল প্রচলিত ছিল না। অতএব পারিজাতের
ধ্রুবপদ সম্বন্ধেও আমরা কোনরূপ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারছিনা। ৫৯৭
ইতি গীত প্রকরণ
বাঙ্ মাতু রুচ্যতে গেয়ং ধাতু রিত্যভিধীয়তে।
বাচং গেয়ঞ্চ কুরুতে যঃ স বাগ্গেয়কারকঃ॥ ৫৯৮
গানের বাণী বা বাক্ বা শব্দকে 'মাতু' বলে এবং সেই গানের স্বর-
বিন্যাসজাত বিভিন্ন গেয় অংশকে বলে ধাতু। যিনি 'বাক্' এবং 'গেয়' রচনা
করেন তাঁকেই বলা হয 'বাগ্গেয়কাবক'। ৫৯৮
কবিতায়াং প্রসিদ্ধো যো দেশী-রাগজ্ঞোপি ভবেৎ।
রাগ-দ্বেষ পরিত্যাগী নির্দোষঃ সার্দ্রচিত্তবান্।
ত্রিস্থান-গমকেষু ক্তো যোহয়মুত্তম ঈরিতঃ॥ ৫৯৯
যিনি খ্যাতিমান কবি, রাগজ্ঞ, ক্রোধ-দ্বেষ-বর্জিত, নির্দোষ, রসাদ্র-চিত্ত