सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 345, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ৩৩৯
এবং মন্দ্র ( উদারা ) মধ্য ( মুদারা ) ও তার ( তারা ) তিন স্থানেই গমক
প্রয়োগে সমর্থ, তাঁকেই উত্তম ‘বাগগেয়কার’ বলে। ৫৯৯
বিদধানোঽধিকং ধাতুমল্পমাতুঃ স মধ্যমঃ।
প্রকুর্বন্ রম্যকাং মাতুং স্বল্পধাতুশ্চ সোঽধমঃ॥ ৬০০
যিনি অনেক রাগ সৃষ্টি করতে পারেন কিন্তু গানের মাতু বা শব্দ রচনায়
তেমন সক্ষম নন, তাঁকে বলে ‘মধ্যম বাগগেয়কার’। আর যিনি গানের
শব্দ রচনায় পারঙ্গম অথচ তেমন স্বরজ্ঞান-সম্পন্ন নন, তাঁকে বলা হয়
‘অধম বাগগেয়কার’। ৬০০
ইতি বাগগেয়কার লক্ষণ
মার্গং দেশীঞ্চ যো বেত্তি স গান্ধর্বোহভিধীয়তে।
যো বেত্তি কেবলং মার্গং স্বরাদিঃ স নিগদ্যতে।
যো বেত্তি কেবলং দেশীং পদাদিঃ স উদীরিতঃ॥ ৬০১
গান্ধর্ব উত্তমোজ্ঞেয়ঃ সঃ স্বরাদিস্তু মধ্যমঃ।
পদাদিরধমঃ প্রোক্তো ভরতাদি মুনীশ্বরৈঃ॥ ৬০২
যে ব্যক্তি মার্গ ও দেশী—এই দ্বিবিধ পদ্ধতির সঙ্গীতেই অভিজ্ঞ তাঁকে
বলা হয় ‘গান্ধর্ব’। যিনি কেবলমাত্র মার্গ পদ্ধতির সঙ্গীতে অভিজ্ঞ তাঁর নাম
‘স্বরাদি’। আর যিনি কেবলমাত্র দেশী পদ্ধতির সঙ্গীতে পারঙ্গম তিনি
অভিহিত হন ‘পদাদি’ নামে। ভরত প্রমুখ ঋষিগণের মতে, ‘গান্ধর্ব’ উত্তম,
‘স্বরাদি’ মধ্যম ও ‘পদাদি’ অধম শ্রেণীর গায়ক। ৬০১-৬০২
টিপ্পনী: আলোচ্য সূত্রে পারিজাতকার সনাতন আতিশয্যবাদেরই
পুনরুক্তি করেছেন। উত্তম, মধ্যম ও অধম শ্রেণীর সঙ্গীতজ্ঞদের সম্পর্কে
ভরতাদি ঋষিগণ যে মন্তব্য করে গিয়েছেন, ভরতাদির যুগে হয়তো তার মূল্য
ছিল;—হয়তো তখনকার সঙ্গীত শিল্পীগণ গান্ধর্ব তথা মার্গ সঙ্গীতের ক্রিয়াসিদ্ধ
অংশ সম্পর্কে কিছুটা অভিজ্ঞ ছিলেন; কিন্তু, নাট্যশাস্ত্র পরবর্তী যুগে আলোচ্য
‘উত্তম’ ও ‘মধ্যম’ শ্রেণীর সঙ্গীত শিল্পীরা লোপ পেয়ে গিয়েছিলেন নিঃসন্দেহে।
পরন্তু, যাঁরা তদানীন্তন ভারতীয় সঙ্গীত-বিজ্ঞানের ধারক ও বাহকরূপে বরেণ্য
হয়েছিলেন তাঁরা সকলেই ছিলেন কেবলমাত্র ‘দেশী’ পদ্ধতির সঙ্গীতে পারদর্শী