सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 331, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 331

গ্রাম মধ্য (মুদারা) সপ্তক? কিংবা মধ্যম (মা) স্বর? বলাবাহুল্য,
উপরিউক্ত তিন রকম অনুমানের স্বপক্ষে ও বিপক্ষে সম্ভাব্য সকল রকম
যুক্তি প্রয়োগ করেও, আমরা এমন কিছুই পাচ্ছি না যাকে সঙ্গীত-বিজ্ঞানানুগ
তথ্যরূপে গ্রাহ্য করতে পারি। অপরপক্ষে, স্বরাঙ্কের সঙ্গে স্বরার্থ প্রবন্ধের
(স্বরপাঠৈরেব বাস্তুতোহং) গোলযোগও কল্পনা করতে পারি না যেহেতু,
পারিজাতের স্বরার্থ প্রবন্ধের উল্লেখ ও আলোচনা ইতিপূর্ব্বেই (৫৬০।১ সূত্র দ্রষ্টব্য)
করা হয়েছে। অতএব, আমরা বলতে বাধ্য যে, পূর্ব্বোল্লিখিত আরও অনেক
সূত্রের মতো পারিজাতের আলোচ্য সূত্রটিকেও বিকৃত করেছেন পরবর্তী কালের
কোন্ সঙ্গীত-অজ্ঞ লিপিকার।
রত্নাকরে স্বরাঙ্গ নেই, কিন্তু স্বরাঙ্ক প্রবন্ধ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা স্থান
পেয়েছে। স্বরাঙ্কের অঙ্গ ছিল পদ, স্বর, বিরুদ এবং তাল তো ছিলই।
এবং স্বরাঙ্ক ছিল চতুরঙ্গবিশিষ্ট দীপনী জাতীয় নির্যুক্ত প্রবন্ধ। এতে ধাতুর
ব্যবস্থা তিনটি। কিন্তু, সেই ধাতু তিনটির মধ্যে উদ্গ্রাহ ও ধ্রুব ব্যতীত,
মেলাপক ব্যবহৃত হতো কিম্বা আভোগকে গ্রহণ করা হতো, সে সম্বন্ধে
রত্নাকর টীকাকারদ্বয়ের মধ্যে মতভেদ দৃষ্ট হয়। স্বরাঙ্ক যে ত্রিধাতুক ছিল
সে সম্বন্ধে উভয় টীকাকারই একমত। কিন্তু, তবুও, কল্লিনাথ মন্তব্য করেছেন
যে, স্বরাঙ্কের মধ্যে মেলাপক ও আভোগ উভয় ধাতুর ব্যবহার পরিলক্ষিত হলে,
প্রবন্ধটিকে চার ধাতুযুক্ত প্রবন্ধরূপে গণ্য করতে হবে। অধিকন্তু, স্বরাঙ্ক
প্রবন্ধ গাইতে হয় কেবলমাত্র মালবশ্রী রাগে। অর্থাৎ, কল্লিনাথের আমলে
স্বরাঙ্ক পাওয়া হতো কেবলমাত্র মালবশ্রী রাগে এবং প্রবন্ধটির ধাতু ব্যবস্থা ছিল
তিন কিংবা চার।
কিন্তু সেটা কী করে হতে পারে? সঙ্গীত বিজ্ঞানের সুস্পষ্ট নির্দেশ হচ্ছে
এই যে, ত্রিধাতুক প্রবন্ধ অর্থে মেলাপকহীন প্রবন্ধ বুঝতে হবে। মূলেও
আমরা পাচ্ছি, স্বরাঙ্ক ছিল ত্রিধাতুক প্রবন্ধ। কল্লিনাথের পূর্ব্ববর্তী টীকাকার
সিংহভূপালও প্রবন্ধটিকে তিন ধাতুযুক্ত প্রবন্ধরূপে উল্লেখ করেছেন। অথচ,
কল্লিনাথ আবার প্রবন্ধটির সম্ভাব্য চার ধাতুর উল্লেখ করতে গেলেন কেন?
এ কেনর উত্তর বোধহয় একটা পাওয়া যেতে পারে, উক্ত টীকাকারদ্বয়ের
টীকা ভাষ্যের দিক্টাকে লক্ষ্য করলে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, সিংহভূপাল
যে সূত্রটিকে অবলম্বন করেছিলেন তার ভিত্তি “স্বরাঙ্ক ন্যাসবং স্বরৈঃ।” এখানে
“ন্যাসনং স্বরৈঃ” অর্থে বুঝতে হবে শেষ ধাতুর, অর্থাৎ আভোগ ধাতুর শেষ