सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 33, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 33

করে ২৯ স্বর থাকতে পারে, সে রহস্যও সরল ভাষায় বিশ্লেষণ করে গেছেন
৩২৩ ও ৩২৪ সূত্রে। অর্থাৎ, একই স্বরকে দুটি নামে অভিহিত করার ফলেই
২২ শ্রুতি ২৯ স্বরে পরিণত হয়েছে। যথা :
যার নাম শুদ্ধ রে তারই নাম পূর্ব্ব গা
” শুদ্ধ গা ” তীব্রতর রে
” সাধারণ গা ” তীব্রতম রে
” শুদ্ধ মা ” অতি-তীব্রতম গা
” শুদ্ধ ধা ” পূর্ব্ব নি
” শুদ্ধ নি ” তীব্রতর ধা
” কৈশিক নি ” তীব্রতম ধা
অতএব দেখা যাচ্ছে, এইভাবে সাতটি স্বর যথাক্রমে চৌদ্দটি নামে অভিহিত
হ’য়েছে। সুতরাং ২২+৭=২৯ তো হবেই। অবশ্য, এখানে একটা প্রশ্ন
উঠতে পাবে, সপ্তকের মধ্যে শুদ্ধ রে গা প্রভৃতি স্বরের অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও
তাকেই আবার পূর্ব্ব তীব্র প্রভৃতি নামে অভিহিত করার তাৎপৰ্য্য কী !
তাৎপয্য, সেকালের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের এই ছিল রীতি। তখনকার কালে
নিখুঁত মূর্ছনার ভিত্তিতে রাগের ঠাট নিরূপিত হ’তো। ফলে, ঋষভ মূর্ছনার
শুদ্ধ বে, শুদ্ধ রে স্বর হিসাবে গান্ধার মূর্ছনার মধ্যে শ্রুতি গোলযোগের সৃষ্টি
করতো এবং সেই গোলযোগ নিবারকরণের একমাত্র বৈজ্ঞানিক উপায়
হিসাবেই অহোবল উক্ত রে স্বরের সঙ্গে পূর্ব্ব, তীব্র, তীব্রতর প্রভৃতি সংজ্ঞা
যুক্ত করে স্বর সপ্তকের বৈজ্ঞানিক সঙ্গতি বজায় রেখে ছিলেন। বিষয়টিকে
অধিকতর বোধগম্য করবার জন্য, আমরা স্বর-প্রকরণের শেষাংশে একটি
স্বর-শ্রুতি-মণ্ডল চিত্র এঁকে দিলাম। ৭৩—৭৮
সঙ্গীতশাস্ত্রবেত্তারঃ প্রবদন্তি মুনীশ্বরাঃ।
প্রয়োগবহুধা যস্য বাদিনং তং স্বরং জগুঃ ॥ ৭৯
ঋষিপ্রতিম সঙ্গীতশাস্ত্রজ্ঞদের মতানুযায়ী ( শুদ্ধ ও বিকৃত স্বরের লক্ষণাদি
বলা হ’লো। অতঃপর বাদী সংবাদী স্বর সম্বন্ধে বলা হচ্ছে ) রাগের মধ্যে
যে স্বরটি সব চাইতে বেশী ব্যবহৃত হয়, তারই নাম বাদী স্বর। ৭৯
২