सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 32, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें১৬ সঙ্গীত পারিজাত
যে সব শুদ্ধ স্বর তার পরবর্ত্তী স্বরের প্রথম শ্রুতি নিয়ে নিষ্পন্ন হয় সেই সব
স্বরকে সাধারণ স্বর বলে। যেমন—
তীব্র রে-কে সাধারণ রে বলে।
তীব্র ও তীব্রতর গা-কে, যথাক্রমে, সাধারণ ও অন্তর গা বলে।
মৃদু মা-কে তীব্রতম গা বলে।
তীব্র ও তীব্রতর মা-কে, যথাক্রমে, সাধারণ ও অন্তব মা বলে।
মৃদু পা-কে তীব্রতম মা বলে।
তীব্র ধা-কে সাধারণ ধা বলে।
তীব্র, তীব্রতর ও তীব্রতম নি-কে, যথাক্রমে, সাধারণ, কাকলী ও কৈশিক
নি বলে।
অতি মৃদু সা-কে তীব্রতম নি বলে।—এই হচ্ছে শুদ্ধ ও বিকৃত স্বরের
লক্ষণ সমূহ।
টিপ্পনী : পারিজাতকার এখানে বাইশ শ্রুতি ও উনত্রিশ স্বরের যে
পরিচয় দিয়েছেন, আজকের দিনের অনেকের কাছেই তা দুর্বোধ্য মনে হবে।
বলা বাহুল্য, রাগের প্রয়োজনে বাইশ শ্রুতির মধ্যে যে কোনটির ওপরই
দাঁড়াবার প্রয়োজন হতে পারে এবং সেরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শ্রুতি স্বর হিসাবে
গণ্য হতে বাধ্য। সুতরাং, রাগ পরিবেশনার পরিপ্রেক্ষিতে, বাইশটি শ্রুতিই
বাইশটি স্বর হিসাবে গণ্য হতে পারে। কিন্তু, স্বর-সপ্তকের শ্রুতি-সমষ্টি
যেখানে সর্ব্ব-সাকুল্যে বাইশটি মাত্র, সেখানে উনত্রিশ স্বরের অস্তিত্ব কি
করে সম্ভব হতে পারে?—এ পর্যন্ত অনেকের কাছেই ব্যাপারটা দুর্বোধ্য
মনে হয়েছে এবং এই দুর্বোধ্য বিষয়টির মর্মার্থ বিশ্লেষণ করে মন্তব্যও করে
গেছেন অনেকে। প্রসঙ্গক্রমে খ্যাতনামা সঙ্গীততত্ত্ববিদ্ স্বর্গত পপলী
সাহেবের অভিমতটি উল্লেখ করা যেতে পারে। ইনি বলেছেন: Ahobala
recognizes 29 Srutis altogether in the Octave but, he rerely
uses more than 12 to describe the Ragas (Music of India,
page 19-20) অর্থাৎ অহোবলের উনত্রিশ স্বরকে পপলী সাহেব ২৯
শ্রুতিরূপে গ্রহণ করেছেন। অথচ, এ রকম অনুমানের স্বপক্ষে কোন যুক্তি
দেখান নি। পারিজাতকার তাঁর রাগ বর্ণনা করতে গিয়ে যে মাত্র
১২টি শ্রুতির ব্যবহার করেছেন, সে তথ্য কারুর অনুমান সাপেক্ষ নয়,
নিজেই বলে গেছেন ৪১৪ ও ৪১৫ সূত্রে এবং ২২ শ্রুতির মধ্যে কেমন