सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 325, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 325

সঙ্গীত পারিজাত ৩১১
প্রথমে দুটি ন-গণ ও তার পরে সাতটি র গণের পদের পর প্রয়োগ। বর্ণগণের
আইন অনুযায়ী এই দণ্ডক ছন্দের বর্ণ বা অক্ষরের সংখ্যা দাঁড়ায় ( 111 × ২+
SIS × ৭ ) ছয়টি লঘু অক্ষরের পর গুরু-লঘু গুরু যুক্ত একুশটি অক্ষর এবং
( ৬+২১ = ২৭ ) এই লঘু-গুরু যুক্ত সাতাশটি অক্ষরের প্রয়োগ হতো একটি
আবৃত্তির মধ্যে। সাধারণ দণ্ডক প্রবন্ধ এই ছন্দেই গীত হতো।
আবার এই সাতাশটি অক্ষরের প্রয়োগ অন্যভাবেও দেখানো হতো।
যেমন, ছাব্বিশটি অক্ষরের সঙ্গে একটি অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত করে, সাতাশ
অক্ষরযুক্ত দণ্ডক ছন্দের আবৃত্তি পূর্ণ করা হতো।
কখনও আবার উক্ত সাতাশটি অক্ষরের সঙ্গে আরও একটি র-গণ যুক্ত
করে অর্থাৎ ( 111 × ২ + SIS × ৭ + SIS ) ত্রিশটি অক্ষরের মাধ্যমে দণ্ডক
প্রবন্ধের অন্তত একটি পদের ছেদন দেখানো হতো প্রস্তারের সাহায্যে।
কখনও র-গণের পরিবর্তে য-গণ ( ISS ) যুক্ত করে, অর্থাৎ র-গণের
গুরু-লঘু-গুরু বর্ণের একুশটি অক্ষরের পরিবর্তে য-গণের লঘু গুরু গুরু বর্ণের
একুশটি অক্ষর যুক্ত করে প্রত্যেক দণ্ডক ছন্দের প্রয়োগও দেখানো হতো।
এইভাবে দণ্ডক ছন্দের নানা প্রকার প্রকারভেদ দেখানো হতো। এবং
বলা বাহুল্য যে এই জাতীয় ছন্দের মধ্যে সাধারণতঃ "চ্ছেদ"
থাকে না। সুতরাং সঙ্গীত পারিজাতকার কেন ‘পদ’ বা ‘চ্ছেদ’-হীন
প্রবন্ধের কথা বলেছেন।
পূর্বে বলা হয়েছে, দণ্ডক ছন্দ ও স্বরযুক্ত দ্বিধাতুক প্রবন্ধ। গাওয়া
হতো তালে সুতরাং এটি ছিল একটি ভাবনী জাতীয় নির্যাত প্রবন্ধ।
এর পদযুক্ত প্রথমাংশটি ছিল উদ্গ্রাহ এবং স্বরযুক্ত শেষাংশটি ছিল ধ্রুব।
দণ্ডকের মধ্যে আরও পদ যোজনা করে আভোগ অনুষ্ঠানেরও অবকাশ
ছিল। সেরূপ ক্ষেত্রে দণ্ডক হয়ে যেতো ত্রিধাতুক প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধ-গান
শেষ করা হতো উদ্গ্রাহে। ৫৮৩
শম্পাতালে যো গেয়ো ঝম্পটঃ সোঽভিধীয়তে। ৫৮৪।১
যে প্রবন্ধ শম্পাতালে গীত হয়, তাকেই বলে ঝম্পট প্রবন্ধ।
টিপ্পনী: ঝম্পট প্রবন্ধ প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন, তার সঙ্গে
রত্নাকরের সামঞ্জস্য নেই। রত্নাকরের বিবৃতি অনুযায়ী ঝম্পট প্রবন্ধটি গাওয়া
হতো ঝম্পট ছন্দে এবং ক্রীড়া তালে—শম্পা তালে নয়। ঝম্পট ছন্দটি ছিল
গাথা ছন্দেরই একটি প্রকারভেদ এবং ক্রীড়া তালের লক্ষণ হচ্ছে, ক্রীডা দ্রুতৌ