सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 324, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 324

৩১০ সঙ্গীত পারিজাত
৫। যে প্রবন্ধর মধ্যে যে কোন তিনটি দেবতার স্তুতি সংযুক্ত থাকে।
ত্রিভঙ্গির এই প্রকারটির আরও একটা বৈশিষ্ট্য ছিল—“তালদৈগুণ্য মুক্তকঃ”।
অর্থাৎ, গানটিকে দ্রুত লয় থেকে মধ্য লয়ে নামিয়ে এনে কিংবা মধ্য লয় থেকে
বিলম্বিত লয়ে নামিয়ে এনে শেষ করতে হতো।
ত্রিভঙ্গির ধাতু ব্যবস্থা কেমন ছিল, সে সম্বন্ধে সঠিক কিছু জানা
যায় না। । ৫৮২।
ত্রিপথঃ সতুবিজ্ঞেয়ো যস্মিন্ সন্তি গতিত্রয়ম্। ৫৮৩
যে প্রবন্ধর তিনটি পদে তিন গতি (লয়) বর্তমান থাকে তাকেই
বলে ত্রিপথ প্রবন্ধ। ৫৮৩
টিপ্পনী: পারিজাতের ত্রিপথ রত্নাকরে ত্রিপথক-রূপে উল্লিখিত হয়েছে
এবং বলাই বাহুল্য, উভয়ের পরিচিতির মধ্যে সামঞ্জস্য নেই। রত্নাকরে
ত্রিপথ-এর গতি সম্বন্ধে কোন আলোচনা স্থান পায়নি। পরন্তু, ত্রিপথক-এর
তিনটি পদকে পরিচিত করা হয়েছে, যথাক্রমে,—প্রথম পদে পাট্‌, দ্বিতীয়
পদে বিরুদ এবং তৃতীয় পদের প্রতিপাদ্য স্বরানুষ্ঠান। কল্লিনাথের মতানুযায়ী
ত্রিপথকের প্রথম দুটি পদ ছিল উদ্‌গ্রাহ এবং শেষের পদটি ছিল ধ্রুব ধাতুর
অন্তর্গত। অর্থাৎ, পদ ও তেনকহীন চতুরঙ্গ বিশিষ্ট দীপনী জাতীয় দ্বিধাতুক
নিযুক্ত প্রবন্ধ ছিল ত্রিপথ। তবে, এর মধ্যে পদ যোজনা করে আভোগ
অনুষ্ঠানেরও অবকাশ ছিল। সেরূপ ক্ষেত্রে ত্রিপথক হয়ে যেত তেনক-হীন
পঞ্চাঙ্গযুক্ত নন্দিনী বা আনন্দিনী জাতীয় ত্রিধাতুক নিযুক্ত প্রবন্ধ। ৫৮৩
নাস্তি যস্যান্তরং যস্মিন্ দণ্ডকঃ স নিগদ্যতে ॥ ৫৮৪
দণ্ডক ছন্দে নিবন্ধ হওয়ার কারণে যে পবন্ধর মধ্যে কোন রকম অন্তর বা
“ছেদ” থাকবার অবকাশ থাকে না, তাকেই বলে দণ্ডক প্রবন্ধ। ৫৮৪
টিপ্পনী: দণ্ডক প্রবন্ধর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন, তার
সঙ্গে রত্নাকরের সামঞ্জস্য আছে। রত্নাকরও বলেছেন, এই প্রবন্ধটি পদ ও স্বর
সহযোগে দণ্ডক ছন্দে রচিত হতো। কিন্তু আলোচ্য সূত্রে পারিজাতকার
'অন্তর' বা 'ছেদ'-হীন প্রবন্ধর উল্লেখ করে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, সেটা
বুঝতে পারা যাচ্ছে না।
দণ্ডক ছন্দে অনেক রকম ভেদ হতো। যেমন—
চণ্ড-বৃষ্টি-প্রপাত-দণ্ডক। এর লক্ষণ ছিল দণ্ডকো নৌ রঃ। অর্থাৎ,