सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 318, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩০৪ | সঙ্গীত পারিজাত
বর্ণসংখ্যা হচ্ছে তিন এবং বিভিন্ন প্রস্তারে এই তিন আট পর্যন্ত হতে পারে।
যেমন, বিনতি—৩, মানব—৪ বা কৃপাল—৫। অর্থাৎ কামগণের ত্রি-বর্ণ
প্রস্তার ভেদে ১+১+১ হতে পারে, ২+১+১ হতে পারে কিংবা ২+২+১
হতে পারে। অধিকন্তু, ৫-এর সঙ্গে ৩ যুক্ত করে অথবা ৪-এর সঙ্গে ৪ যুক্ত
করে আটও হতে পারে। কিন্তু ত্রিপদীর প্রয়োগ ব্যবস্থার প্রতি লক্ষ্য করলে
দেখা যায়, ত্রিপদীকে চতুষ্পদীরূপে পরিবেশন করা হতো। কেন?—এ
সম্বন্ধে কল্লিনাথ বলেছেন, ত্রিপদীর প্রথম দুটি পদ আসলে একই পদের
পুনরাবৃত্তি; ও দুটির মধ্যে কোনই প্রভেদ নেই। কিন্তু, তাই যদি হবে,
তাহলে, একই পাদকে দু’বার গাইবার বিশেষ নির্দেশ শাস্ত্রকার দিয়ে গেলেন
কেন? কারণটা অবশ্যই গুরুতর ছিল। কিন্তু সেটা কি হতে পারে।
আপাততঃ আমরা দেখতে পাচ্ছি, ত্রিপদীকে চতুষ্পদীরূপে পরিবেশন করার
ফলস্বরূপ এর গণ-ব্যবস্থাটা হয়ে যাচ্ছে ২+২=৪+৪+৩=১১। অথচ,
আলোচ্যক্ষেত্রে এই ২+২-কে রতিগণ বলবারও উপায় নেই যেহেতু প্রবন্ধটির
৬ ও ১০ সংখ্যক গণদুটি ছিল মাত্র রতিগণ। এ ছাড়াও শাস্ত্রকার আবার
বলেছেন, ত্রিপদীর দ্বিতীয় পাদটিকে, অর্থাৎ আপাতদৃষ্টিতে যে পাদটিকে তৃতীয়
পাদ বলে মনে হবে, সেই পাদটিকে প্রথমে “কিছুটা” গেয়ে তারপর সম্পূর্ণ
পাদটি গাইতে হয়। কিন্তু এই “কিছুটা” বলতে আসলে কি বোঝাচ্ছে?
দেড়গুণ নয়, দ্বিগুণ তো নয়ই। তবে কতখানি? আবার ত্রিপদীর শেষোক্ত
পাদটি (আপাতদৃষ্টিতে যাকে চতুর্থ পাদ বলে মনে হয়) সম্বন্ধে শাস্ত্রকার
একবার মাত্র গাইবার নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ, বর্ণগণের যথাযথ প্রয়োগ
বজায় রাখবার কারণেই যে শাস্ত্রকার প্রবন্ধর প্রথম পাদটিকে দু’বার, দ্বিতীয়
পাদটিকে কিঞ্চিদধিক একবার এবং তৃতীয় পাদটিকে কেবলমাত্র একবার গাইবার
নির্দেশ দিয়েছেন তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু, এই নির্দেশ কিভাবে প্রতিপালিত
হতো সেটা বোঝা যাচ্ছে না। বস্তুতঃ গায়কীর অভাবে নায়কীর যথাযথ
পরিচয় যে পাওয়া সম্ভবপর হয় না, আলোচ্য ত্রিপদীর অস্তিত্বটা তার
একটা উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। সর্বোপরি, আলোচ্যক্ষেত্রে পারিজাতের
মন্তব্যটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। অহোবল বলেছেন, ত্রিপদী, চতুষ্পদী ও
ষট্পদী প্রবন্ধর ক্ষেত্রে বর্ণাদি প্রয়োগের “অনিয়ম” দোষণীয় নয়। সুতরাং,
ঠিক কিভাবে যে এই ত্রিপদীকে পরিবেশন করা হতো, কিছুই বোঝা
যাচ্ছে না।