सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 317, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ৩-৩
কল্লিনাথের মতানুযায়ী, বস্তু প্রবন্ধর মধ্যে দোধক ছন্দে অনুষ্ঠিত অংশটি ছিল
ধ্রুব এবং তেনক অনুষ্ঠানের অর্ধাংশটি ছিল উদ্গ্রাহ ধাতুর অন্তর্গত। সুতরাং,
বস্তু ছিল একটি দ্বিধাতুক, বিরুদহীন, নির্যুক্ত প্রবন্ধ। অবশ্য, এর মধ্যে আভোগ
অনুষ্ঠানেরও অবকাশ ছিল এবং সে সুযোগ গ্রহণ করলে বস্তু হয়ে যেত ত্রিধাতুক
প্রবন্ধ। প্রসঙ্গক্রমে এখানে উল্লেখযোগ্য যে রত্নাকরের পরবর্তী যুগে, হরিনায়ক
কর্তৃক পঞ্চদশ শতাব্দীতে বিরচিত 'সঙ্গীত সার' গ্রন্থের গীত অধ্যায়ের ৪।৫ সূত্রে
দেখা যায়—
ত্র্যাদিভির্ধাতুভিশ্চাঙ্গৈঃ পঞ্চভির্বস্তু কথ্যতে।
দ্বিধাতুকং তথা দ্বাঙ্গং রূপকং পরিকীর্তিতম্ ॥
'অর্থাৎ পঞ্চদশ শতাব্দীতেও বস্তু প্রবন্ধ ছিল পাঁচ অঙ্গযুক্ত ত্রি-ধাতুক প্রবন্ধ এবং
রূপক ছিল দুই অঙ্গের দুই ধাতুযুক্ত প্রবন্ধ। ৫৭৮।১
ত্রিপদাদিত্রয়ং গীতং তত্তদ্ দেশস্য ভাষায়া। ৫৭৮।২
তত্তৎ সংখ্যাবিশিষ্টেন খণ্ডেন সুখদায়কম্।
বর্ণানাং নিয়মাভাবৈস্তত্র দোষো ন বিদ্যতে॥ ৫৭৯
ত্রিপদী, চতুষ্পদী ও ষট্পদী নামক তিনপ্রকার প্রবন্ধ গীতি বিভিন্ন দেশীয়
ভাষায় রচিত হয়ে থাকে। এই তিন প্রকার প্রবন্ধ গীতির পদাদি খণ্ডের সংখ্যা ও
বিভিন্ন এবং এই বিভিন্নতার বৈশিষ্ট্যগুলি যথাযথভাবে বজায় রেখে গান গাইলে
তবেই প্রবন্ধগুলি শ্রুতিমধুর হয়ে ওঠে। এই তিন প্রকার গীতিতেই বর্ণাদি
প্রয়োগের অনিয়ম দোষণীয় নয়। ৫৭৮।২--৫৭৯
টিপ্পনী: পারিজাতকার এখানে যে তিনটি প্রবন্ধর কথা বলেছেন, আমরা
পৃথকভাবে তাদের পরিচয় দেবার চেষ্টা করছি:
ত্রিপদী প্রবন্ধর পদের সংখ্যাটা আসলে তিন এবং সেই কারণেই তার নাম
হয়েছে ত্রিপদী। শাস্ত্রমতে ত্রিপদীর মধ্যে এগারটি বর্ণগণের প্রয়োগ ব্যবস্থা
ছিল অপরিহার্য এবং তার শাস্ত্রনির্দিষ্ট বিভাগ ছিল, যথাক্রমে, প্রথম পদে চারটি
বর্ণগণ; দ্বিতীয় পদে চারটি বর্ণগণ এবং তৃতীয় পদে তিনটি বর্ণগণ। অর্থাৎ
৪+৪+৩=১১। এই এগারটি বর্ণগণের মধ্যে ৬ ও ১০ সংখ্যক গণদুটি ছিল
রতিগণ ও বাকি ৯টি গণ ছিল কামগণ। অর্থাৎ ত্রিপদীর দ্বিতীয় পাদের
তৃতীয় গণটি ও তৃতীয় পাদের দ্বিতীয় গণটি ছিল রতিগণ। রতিগণের বর্ণসংখ্যা
হচ্ছে দুই এবং প্রস্তার ভেদে এই দুই চার হতে পারে। অপরপক্ষে কামগণের