सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 316, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩০২ সঙ্গীত পারিজাত
প্রবন্ধাবলীর অন্তর্ভূক্ত করে পরিবেশন করে গেছেন এবং যাবতীয় বিপ্রকীর্ণ
প্রবন্ধ সংগৃহীত হয়েছিল গ্রাম্য সঙ্গীত সমাজ থেকে—সেগুলিকে ক্লাসিক্যালের
পর্যায়ে উন্নীত করবার উদ্দেশ্যেই। বস্তু প্রবন্ধর সঙ্গে গান্ধর্ব-গীতির সম্পর্ক যদি
বিন্দুমাত্রও কশ্মিনকালে থাকতো তাহলে, তার পরিচিতিটা বিপ্রকীর্ণর
পরিবর্তে শুদ্ধ সূড়ের অন্তর্ভূক্ত হতো। কিংবা এমনও হতে পারে, বহু পরবর্তীযুগে,
বস্তুকে বিস্মৃতির অতল থেকে খুঁজে বার করে বিপ্রকীর্ণর মধ্যে স্থান দেওয়া
হয়েছিল। পাঠকবর্গ লক্ষ্য করবেন, প্রবন্ধ অধ্যায়ের প্রারম্ভে গ্রন্থকার যেভাবে
বস্তু ও রূপকের কৌলীন্য ( ৫০৪ সূত্র দ্রষ্টব্য ) ঘোষণা করেছেন, গ্রন্থের মধ্যে
সে কৌলীন্যের মর্যাদা যথাযথভাবে রক্ষিত হয় নি। কারণটা বিশেষভাবেই
বিচার্য। কেবলমাত্র পারিজাতেই নয়—বৃহদ্দেশী, সময় সার, রত্নাকর প্রভৃতি
যাবতীয় গ্রন্থের মধ্যেই, নিবদ্ধ গান আলোচনা প্রসঙ্গে, বস্তু ও রূপক যথাযথভাবে
পরিচিত হয় নি। রত্নাকর ও পারিজাতে বস্তুকে পরিচিত করা হয়েছে
বিপ্রকীর্ণর অন্যতমরূপে। কিন্তু, রূপক সম্বন্ধে যদিও বা রত্নাকর কিছু বলেছেন,
পারিজাত একেবারে নীরব। অথচ, আদিতে এ দুটি যে অনুরূপ স্ব-কুলীন
ছিল না তার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় প্রবন্ধ অধ্যায়ের প্রারম্ভিক পরিচিতি লক্ষ্য
করলেই। অর্থাৎ নাট্যশাস্ত্র থেকে বৃহদ্দেশী যুগের কয়েক শতাব্দীকালের মধ্যে
কোন সময়, বস্তু ও রূপক সম্পর্কিত সত্য তথ্যগুলি হারিয়ে গিয়েছিল বা
সম্মুখীন হয়েছিল বিকৃত ব্যাখ্যার। এবং, সেই জেরেই চলে আসছে এবম্বিধ
অবস্থা।
বস্তু প্রবন্ধ সম্পর্কে পারিজাতের বিবৃতি অতি সংক্ষিপ্ত কিন্তু, রত্নাকরের
আশ্রয়ে বস্তু প্রবন্ধ-টি নিয়ে গবেষণারত হলে। সে সম্বন্ধে একটা ধারণা করা
যায়। এই প্রবন্ধর মধ্যে পাদ থাকতো পাঁচটি। পাদের মধ্যে প্রথম দুটি পাদকে
পূর্বার্দ্ধরূপে পাওয়া হতো এবং বাকি তিনটি পাদ থাকতো উত্তরার্দ্ধর অন্তর্ভুক্ত
হয়ে। পাদ পাঁচটির মাত্রাসংখ্যা ছিল, যথাক্রমে—১ম পাদ ১৫ মাত্রাযুক্ত।
২য় পাদ ১০ মাত্রাযুক্ত। ৩য় পাদ ১১ মাত্রাযুক্ত। ৪র্থ পাদ ১২ মাত্রাযুক্ত।
এবং ৫ম পাদ ১৫ মাত্রাযুক্ত। গান শেষ করা হতো তেনকের অনুষ্ঠান করে।
কিন্তু, তেনকের অনুষ্ঠান করা হতো দু’বার দু’রকমভাবে। প্রথমবার তেনকের
অনুষ্ঠান করা হতো কেবলমাত্র উত্তরার্দ্ধকে অবলম্বন করে। তারপর, উক্ত
উত্তরার্দ্ধকেই দোধক ছন্দে পরিবেশন করা হতো। তারপর সমগ্র প্রবন্ধটিকেই
আবার তেনক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিবেশন করে গান শেষ করা হতো।