सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 308, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৯৪ সঙ্গীত পারিজাত
অর্থাৎ শার্ঙ্গদেবের আমলে যে দেশী-প্রবন্ধ-সঙ্গীত প্রচলিত ছিল—সেই আমলের
দেশী তাল নয়; পূর্ববর্তী কালের মার্গতাল—দেশী প্রবন্ধর মধ্যে প্রযোজিত
হয়েছে। অপরপক্ষে, প্রবন্ধটির পরিবেশনা পদ্ধতির মধ্যেও অভিনবত্ব
ছিল। যেমন—
১। প্রথমে করা হতো অ-তালে রাগালাপ! এখানে লক্ষ্যণীয় এই যে
প্রবন্ধটিতে তাল-প্রয়োগ সম্বন্ধে যেমন বাঁধা-ধরা নিয়ম-কানুন ছিল, রাগ
সম্বন্ধে তেমন কিছুই ছিল না। অর্থাৎ, প্রবন্ধটি তদানীন্তনকালে প্রচলিত
যে কোন একটি রাগের মাধ্যমে গীত হতো, একাধিক রাগের প্রয়োগ এতে
হতো না।
২। অতঃপর প্রবন্ধর প্রথম পাঁচটি পদ দু'বার ( ৫ x ২ = ১০ ) করে গাওয়া
হতো চচ্চপুট তালে। কিন্তু, দু'বার গাওয়া অর্থে এখানে পুনরাবৃত্তি
বোঝাচ্ছে না। তার মূল অর্থাৎ একটি একটি প্রবন্ধ বাক্যাংশের মধ্যে
স্বর ও পাট আচরণের সাহায্যে বৈচিত্র্য প্রকটিত করে তোলা হতো। পরন্তু,
প্রবন্ধের পদ দশটিও ( ৫ x ২ = ১০ ), এক ধাতুযুক্ত থাকতো না, অন্তত দু-টি
দু'টি ধাতুর প্রভাব বিস্তার করতো।
৩। অতঃপর, উপরোক্ত দশটি পদকে আবৃত্তির মতন করে গাওয়া
হতো। সঙ্গে সঙ্গে বাজতে থাকতো চচ্চপুট তালের বোল, পটহ বাদ্যযন্ত্রে
চচ্চপুট তালটার মাত্রা-বিভাগ ছিল গুরু + গুরু + লঘু + প্লুত। অর্থাৎ ২ + ২ +
১ + ৩ = ৮ মাত্রা।
৪। অতঃপর, আবার উপরোক্ত পাঁচটি পদই দু'বার করে গাহতে
হতো—আগেকার মতোই স্বর ও পাট আচরণ সহযোগে, চাচপুট তালে
আপাততঃদৃষ্টিতে মনে হবে, প্রবন্ধর এই অংশটি ছিল বুঝি দু' নম্বর
গীতক্রিয়ারই পুনরাবৃত্তি। কিন্তু, বাস্তবিক ক্ষেত্রে তা হতো না যেহেতু
চচ্চপুটের স্থান গ্রহণ করতো চাচপুট। নামের দিক দিয়ে সামঞ্জস্য
থাকলেও তাল দুটি ছিল ভিন্ন-মাত্রিক। চাচপুটের মাত্রা বিভাগ ছিল,
গুরু + লঘু + গুরু + লঘু। অর্থাৎ ২ + ১ + ২ + ১ = ৬ মাত্রা।
৫। অতঃপর তিন নম্বর গীতক্রিয়ার অনুরূপ, পদগুলিকে আবৃত্তির
মতন করে গাওয়া হতো। সঙ্গে সঙ্গে বাজতে থাকতো চাচপুট তালের বোল,
হুড়ুক্ক বাদ্যের মাধ্যমে।
৬। অতঃপর, পূর্বোক্ত পাঁচটি পদ (দশটি নয় যেহেতু একবার মাত্র