सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 309, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ২৯৫
গাইতে হতো) যথাযথভাবে স্বর-পাট সহযোগে গাইতে হতো ষট্পিতাপুত্রক
তালে। সঙ্গে সঙ্গে তাল-মান বজায় রেখে বাজতে থাকতো শঙ্খ।—এখানে
শঙ্খের প্রয়োগটা ঠিক কী ভাবে হতো বোঝা যাচ্ছে না। মৃদঙ্গের বোলের
মতো শঙ্খেরও নিজস্ব বোল ছিল। কিন্তু, আলোচ্য গীতক্রিয়ার মধ্যে
শঙ্খ তার নিজস্ব হুঙ্, ঘুঙ্ প্রভৃতি বোলের সাহায্যে সঙ্গত করতো কিংবা
মৃদঙ্গের মাধ্যমে ষট্পিতাপুত্রকের যে বোল বাজতো, তারই অনুকরণ করতো
ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। ষট্পিতাপুত্রকের মাত্রা-বিভাগ ছিল, প্লুত+গুরু+
গুরু+প্লুত। অর্থাৎ, ৩+২+২+৩=১০ মাত্রা।
৭। অতঃপর উপরোক্ত পাঁচটি পদকে ছয়টি পদে পরিণত করা হতো
অতিরিক্ত একটি পদ যোজনা করে এবং এই ছয়টি পদ দু'নম্বর গীতক্রিয়ার
মতো দু'বার (৬×২=১২) করে গাইতে হতো সম্পক্ষেষ্টক তালে।
সম্পক্ষেষ্টক তালের মাত্রা-বিভাগ ছিল, গুরু, তারপর গুরু+গুরু+গুরু+গুরু।
অর্থাৎ ২-২+২+২+২=১০ মাত্রা।
৮। অতঃপর, তিন নম্বর গীতক্রিয়ার মতো উপরোক্ত ১২টি পদকে
আরতির মতন করে গাওয়া হতো। সঙ্গে সম্পকেষ্টক তাল বাজতে থাকতো
কংস ( Gong ? ) বাদ্যের মাধ্যমে
৯। অতঃপর, উপরোক্ত মূল ছয়টি পদ (বারোটি নয়, যেহেতু একবার
মাত্র গাওয়া হতো) স্বর পাট সহযোগে গাইতে হতো উদঘট্ট তালে।
উদ্ঘট্ট তালের মাত্রা-বিভাগ ছিল, গুরু+গুরু+গুরু। অর্থাৎ ২+২+২=৬
মাত্রা।
১০। অতঃপর, উপরোক্ত পদগুলিকে (?) তিন নম্বর গীতক্রিয়ার অনুরূপ
আরতির মতন করে গাওয়া হতো। সঙ্গে উদঘট্ট তালই বাজতে থাকতো
মুরজ বাদ্যযন্ত্রে।—এখানে ছয়টি পদকে ১২টি করা হতো কিনা ঠিক বোঝা
যাচ্ছে না।
১১। অতঃপর, যথাযথভাবে তাল-মান বজায় রেখে প্রবন্ধর মধ্যে
আভোগের আচরণ করা হতো। এই অংশের মধ্যেই যোজনা করা হতো
গায়ক ও নেতার নাম এবং মঙ্গলবাচক শব্দাদি।—এই অংশটিও যে ঠিক
কোন তালে গাওয়া হতো বোঝা যাচ্ছে না। তবে, তাল প্রয়োগের
যথাযথ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে মনে হয়, আভোগ অংশটিও উদ্ঘট্ট তালে
গীত হতো।