सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 284, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৭০ সঙ্গীত পারিজাত
ঝোম্হড়া প্রবন্ধ—নিঃসারুক, কুডুক্ক, ত্রিপুট, প্রতিমণ্ঠ, দ্বিতীয়-গারুগী, রাস,
যতি, লয়, অড্ড ও একতালী—এই দশটি তালের মধ্যে যে কোন একটির
মাধ্যমে গীত হতে পারে। কিন্তু—শার্ঙ্গদেবের মতানুযায়ী—মণ্ঠ তালে ঝোম্হড়া
গাওয়া অনুচিত।
ঝোম্হড়া প্রবন্ধও এলা জাতীয় প্রবন্ধর মতো বহু শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত
ছিল। রত্নাকরে ৩৫০ রকম ঝোম্হড়ার পরিচয় উল্লিখিত হয়েছে। এ
ছাড়াও, সোম, শ্রীপতি, সংগত, রুচিত, মাতৃকা প্রভৃতি নামযুক্ত আরও
অনেক ঝোম্হড়া প্রবন্ধ ছিল, যার লক্ষণাদি রত্নাকরে উল্লিখিত হয়নি। ৫৪৭।২
এক খণ্ডে দ্বিখণ্ডে বা যস্যোদগ্রাহো ভবেদিহ।
গীয়তেহসৌ সকৃদ্ দ্বির্্বা ভবেদ্ যত্র ধ্রুবঃ পুনঃ।
দ্বিরাভোগো ধ্রুবে মুক্তিঃ প্রলম্ব স্তু লম্ভকঃ॥ ৫৪৮
যে প্রবন্ধ গানের উদ্গ্রাহ অংশটি একখণ্ডে কিংবা দু'খণ্ডে বিভক্ত তথা যা
একবার কিংবা দু'বার গাইতে হয় এবং যার ধ্রুব ও আভোগ অংশদুটি দু'বার
গেয়ে, গানের সমাপ্তি ঘটাতে হয় পুনরায় ধ্রুব অংশটি গেয়ে, তাকেই প্রলম্ব বা
লম্ভক প্রবন্ধ বলে। ৫৪৮
টিপ্পনী: পারিজাতের লম্ভক রত্নাকরেও লম্ভকরূপে উল্লিখিত হয়েছে।
কিন্তু লম্ভক ও প্রলম্ব অভিন্নরূপে চিহ্নিত হয়নি। লম্ভকের পরিচয় প্রসঙ্গে
শার্ঙ্গদেব বলেছেন, এর উদ্গ্রাহ, ধ্রুব ও আভোগ এই তিনটি অংশকেই একখণ্ডে
অথবা দু'খণ্ডে বিভক্ত করে একবার কিংবা দু'বার গাওয়া যায়। এবং, গান
শেষ করতে হয় আভোগের পর আবার ধ্রুব গেয়ে। অর্থাৎ, লম্ভক ছিল একটি
তারাবলী জাতীয় ত্রি-ধাতুক প্রবন্ধ।
প্রলম্ব প্রসঙ্গে শার্ঙ্গদেব বলেছেন, লম্ভকের উদ্গ্রাহ অংশটি যদি দু'টি খণ্ডে
বিভক্ত হয় এবং এই দু'টি খণ্ডের গীতি বৈশিষ্ট্য যদি অভিন্ন না হয়, অর্থাৎ,
উদ্গ্রাহর দ্বিতীয় খণ্ডটি যদি প্রথম খণ্ডর ধাতুগত বৈশিষ্ট্য বজায় না রেখে
ভিন্ন ধাতুর বৈশিষ্ট্য প্রকট করে তোলে, তাহলে, লম্ভক আর লম্ভক
থাকে না, প্রলম্ব নামে চিহ্নিত হয়। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য পূর্ব সূত্রে
আলোচিত ঝোম্হড়া প্রবন্ধটির বৈশিষ্ট্য। ঝোম্হড়ার ক্ষেত্রেও লম্ভকের মতো
ব্যবস্থা আছে। তবে, ঝোম্হড়ার গীতি-ব্যবস্থার মধ্যে শিল্পীর ইচ্ছাটাকে
( option ) ভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়নি। বলাবাহুল্য, প্রলম্ব প্রবন্ধের