सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 283, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ২৬৯
প্রযুক্ত হয় না; কোন বিলম্বিত লয়যুক্ত তালের মাধ্যমেই বর্তনীকে পরিবেশন
করতে হয়।
বর্তনীর উদ্গ্রাহ অংশটিকে দু'বার গাওয়া হতো। কিন্তু, দু'বার গাওয়ার
অর্থ এ নয় যে—অন্যান্য অনেক প্রবন্ধর মতো—উদ্গ্রাহর দ্বিতীয় খণ্ডটিকে
মেলাপক রূপে পরিবেশন করা হতো। উদ্গ্রাহটিকে হয়তো দু'বার দু'রকমভাবে
গাওয়া হতো; কিন্তু, তার মধ্যে ভিন্ন ধাতুর প্রভাব পরিলক্ষিত হতো না
নিশ্চয়ই। হলে, রত্নাকরে অবশ্যই তার নির্দেশ থাকতো।
বর্তনীর উদ্গ্রাহ অংশটি দু'বার গাওয়ার পর তার ধ্রুব ও আভোগ অংশদুটি
অনুষ্ঠিত হতো একবার করে। তারপর, আর একবার ধ্রুব অংশটি গেয়ে গান
শেষ করা হতো। অর্থাৎ বর্তনী ছিল একটি ত্রি-ধাতুক মেদিনী জাতীয় প্রবন্ধ।
এ ছাড়াও, বর্তনীর আর একটি রূপ ছিল। প্রবন্ধটি যখন কঙ্কাল,
প্রতিতাল, কুড়ুক দ্রুত-মণ্ঠক্—এই চারটি তালের কোন একটির মাধ্যমে
পরিবেশিত হতো, তখন তার নামান্তর ঘটত বি-বর্তনী প্রবন্ধরূপে। ॥ ৪৭১ ॥
যস্যোদগ্রাহঃ পঞ্চমেস্যাদ্ ধ্রুবঃ ষড়জে চ ঝোম্বডঃ।
ততঃ স্বেচ্ছানুসারেণ গতি যত্র বিলম্বিতা ॥ ৪৭২
যে প্রবন্ধ গানের উদ্গ্রাহ অংশের আরম্ভ পা স্বরে ও ধ্রুব অংশের প্রারম্ভ
সা স্বরে হয় এবং যার মধ্যে যদৃচ্ছা বিলম্বিত গতি প্রয়োগ করা যায়, তাকেই
ঝোম্বড প্রবন্ধ বলে। ॥ ৪৭২
টিপ্পনী : পারিজাতের ঝোম্বড রত্নাকরে 'ঝোম্বড়া'রূপে উল্লিখিত হয়েছে।
এই প্রবন্ধটির পরিচয় প্রসঙ্গে শার্ঙ্গদেব 'লেছেন, এর উদ্গ্রাহ অংশটির প্রথম
খণ্ড দু'বার ও দ্বিতীয় খণ্ড একবার গাইতে হয়। উদ্গ্রাহ অনুষ্ঠানের পর,
ইচ্ছা করলে উক্ত উদ্গ্রাহ অংশটিকেই আবার মেলাপকরূপেও গাওয়া যেতে
পারে। কিংবা এই মেলাপকের অনুষ্ঠানটিকে বর্জনও করা যেতে পারে। কিন্তু,
মেলাপকের অনুষ্ঠান যদি করা হয় তাহলে সেটিকে অবশ্যই গমকযুক্ত করতে
হবে। অতঃপর, অর্থাৎ উদ্গ্রাহ বা তথাকথিত মেলাপক অনুষ্ঠানের পর
ঝোম্বড়ার ধ্রুব অংশটিকে দু'বার ও আভোগ অংশটিকে একবার গেয়ে গান শেষ
করতে হবে। অর্থাৎ ঝোম্বড়া বা ঝোম্বড প্রবন্ধটি আসলে ছিল একটি ত্রি-ধাতুক
প্রবন্ধ। তবে, শিল্পী ইচ্ছা করলে তার মধ্যে আরও একটি ধাতুর প্রভাব-বৈশিষ্ট্য
পরিবেশন করতে অধিকারী ছিলেন।