सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 282, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৩৮ সঙ্গীত পারিজাত
জানতে হলে, অনুসন্ধিৎসুদের পক্ষে রত্নাকরের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া
গত্যন্তর নেই।
অতঃপর ঢেঙ্কী প্রবন্ধর পরিচয়—
ঢেঙ্কী সম্বন্ধে পারিজাতকার যা বলেছেন, পরিচয় হিসাবে তা অকিঞ্চিৎকর।
এ সম্বন্ধে রত্নাকরের বক্তব্য হচ্ছে—
ঢেঙ্কির উদ্গ্রাহ অংশের পূর্বার্ধ ও উত্তরার্ধ গাওয়া হতো যথাক্রমে দু'বার ও
একবার করে। পারিজাতকারের সঙ্গে রত্নাকরের কেবল এইটুকু সামঞ্জস্যই
পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু, উদ্গ্রাহর পর গানের মধ্যে মেলাপক অনুষ্ঠানেরও
অবকাশ ছিল। শিল্পী যদি মেলাপক গাইবার সুযোগ গ্রহণ করতেন তাহলে
তাঁকে এলা প্রবন্ধর প্রয়োগ অংশের মতো, অক্ষর-বর্জিত গমকালুপ্তি
সহযোগে গাইতে হতো। অপরপক্ষে, ঢেঙ্কি প্রবন্ধর উদ্গ্রাহ ও মেলাপক
উভয় অংশকেই তালহীন অনির্ভুক্ত পদ্ধতির মাধ্যমেও পরিবেশন করবার
অবকাশ ছিল। অতঃপর ঢেঙ্কির ধ্রুব ও আভোগ অংশ গীত হতো ভিন্ন
লয়ে ও ভিন্ন তালে। লক্ষ্য করবার বিষয়, ঢেঙ্কির ধ্রুব অংশটিও ছিল
এলার মতো তিনটি খণ্ডে বিভক্ত এবং তার প্রথম খণ্ডদুটি ছিল সম-ধাতুক ও
তৃতীয় খণ্ডটি ছিল উচ্চৈঃস্বরযুক্ত ভিন্ন ধাতুর প্রভাবাধীন। অর্থাৎ, ঢেঙ্কি
প্রবন্ধটি ছিল তারাবলী জাতীয় ত্রিধাতুক (মতান্তরে চার ধাতুযুক্ত) এবং
এর প্রকার-ভেদ ছিল ত্রিশ রকম। ঢেঙ্কি প্রবন্ধ গান শেষ করা হতো
আভোগের পর আর একবার ধ্রুব গেয়ে। ৪৭০
যস্মিন্ গীতে স্বরা গেয়াঃ সা ভবেদ্ বর্তনী পুনঃ। ॥৪৭১॥
যে প্রবন্ধ গানে কেবল স্বরসমূহই গীত হয় তাকে বর্তনী প্রবন্ধ
বলে। ॥৪৭১॥
টিপ্পনী : বর্তনী প্রবন্ধর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন তা
পড়ে, সাধারণ বুদ্ধিতে মনে হয়, প্রবন্ধটি পরবর্তী কালের সরগম্ গীতের মতোই
কোন কিছু ছিল। কিন্তু, বর্তনী প্রসঙ্গে শার্ঙ্গদেব যা বলেছেন, তা
পারিজাতের মতো সহজ সরল সংক্ষিপ্ত নয়। শার্ঙ্গদেব বলেছেন, বর্তনীর
লক্ষণসমূহ স্বর করণ প্রবন্ধর অনুরূপ হলেও পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তার
তাল ও লয় প্রয়োগের ক্ষেত্রে। বর্তনী প্রবন্ধে, স্বর-করণের মতো নিরঙ্কুশ
স্বরসমূহ প্রযোজিত হলেও, এতে রাসতালও ব্যবহৃত হয় না বা দ্রুত লয়ও