सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 273, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 273

প্রদেশের কোন সম্পক আছে কি না বা বীজটির উৎপত্তি “কলম-প্রথায়”
হয়েছিল কি না সে সম্বন্ধে অনবহিত থেকেই একটা “বাস্তবিক” কারণে ফলটির
মহিমা কীর্তন করি বা ফলপ্রাপ্তির আশায় যত্রতত্র তার বীজ বপন করে থাকি ;
সেদিনকার শিক্ষাভিমানী শাস্ত্রাভিমানী কিছু লোকও তেমনি অনুপ্রাণিত
হয়েছিলেন তদ্বীজের ফললাভ করে, আস্বাদ-টাকে সর্বজন-বিদিত করবার
জন্য। কিন্তু, প্রেরণাটা তাদের গতিশীল সমাজ-জীবনের পক্ষে সুফল প্রসব
কবে নি, যেহেতু— এ হেন বীজেব আদি গেহতটাও যেমন মহাজন-নিদেশ
কবলিত ছিল তেমনি বাস্তবিক ফলাফলেব তথা বসাস্বাদনের প্রমাণগুলোও
দাখিল কবতেন তাঁরাই—ব্যক্তিগত নির্ভবতালাভেব মৌখিক বা লিখিত
বিবরণাদিব মাধ্যমে। অপবপক্ষে, মহাজনেরা যথাকালে গত হলেও, তাঁদের
মবদেহর সঙ্গে সঙ্গে “প্রমাণ”গুলোও বিনষ্ট হলো না, অনুগামী ভক্তবৃন্দ
নিজেদের বিদ্যাবুদ্ধি অনুযায়ী বিহিত ব্যবস্থাই অবলম্বন করেছিলেন--
গণদেবতাকে “প্রমাণেব” বসাস্বাদন করবাবে জন্য। ফলে, এ হেন বীজেব
মাহাত্ম্য যে কেবলমাত্র আমাদের ধর্মশাস্ত্র, দর্শনশাস্ত্র বা সাহিত্যকর্মের মধ্যেই
প্রভাব বিস্তার করেছিল তাই নয়—সঙ্গীতশাস্ত্রকেও কলঙ্কিত করেছিল।
প্রমাণ, পাবিজাতেব আলোচ্য সরণিগুলি। আমবা ইতিপূর্বে বলেছি, একাধিক
অহোবল ছিলেন না বটে, কিন্তু, তাব অতিভক্ত অনুগামীর সংখ্যা ছিল
একাধিক।
পরিশেষে বক্তব্য এই যে, বিভিন্ন দেশের ভাষার মধ্যে যেমন একটা সম্পর্ক
আছে তেমনি মন্ত্র-তন্ত্রাদির বীজগুলিও অব্যাধধর্মী। সুতরাং, কোন রকম বর্ণ
প্রয়োগের ক্ষেত্রেই কোন রকম পূর্ব-নির্দিষ্ট বিধি-নিষেধের আরোপ যুক্তিগ্রাহ্য
হতে পারে না। পরন্তু, যেটা গ্রাহ্য হতে পারে সেটা হচ্ছে অভিজ্ঞ ব্যক্তির বা
রসজ্ঞ স্রষ্টার উপলব্ধিগত বর্ণ—যার যথার্থ পরিচয় যথাযথভাবে ব্যাকরণ
অভিধানাদির নির্দেশ মেনে চলে না। তাই আমবা দেখতে পাই, সর্বকালের
স্বনামধন্য গীতিকারগণ সর্বদাই বর্ণ প্রয়োগের বিধি-নিষেধ—এক রকমের নিজস্ব
আইন মতো গ্রাহ্য করে এসেছেন—মৃত্যুভয় বা ধনহানির আশঙ্কায় নয়—অন্য
কারণে। গীতিকার অর্থে আমরা এখানে তাঁদের কথাই বলছি যাঁরা বুঝতেন
গান ও কবিতা অভিন্নধর্মী নয়। যাঁরা উপলব্ধি করতে পারতেন, “উদারার”
ক্ষেত্রে যে যে বর্ণযুক্ত বাণীর গ্রন্থনা সুমধুর সাঙ্গীতিক রূপ প্রকট করে তোলে, সেই
বাণীগুলিকে তারার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে বিপরীত ব্যাপারও ঘটে যেতে পারে।