सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 269, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত
২৫৫
ভূমিবীজের ব্যবহারে — সম্পদ।
জলবীজের ” — সুখ।
আকাশবীজের ” — ধনহানি।
সুতরাং, এই সব ফলাফলের কথা স্মরণে রেখে, বিচার বিবেচনাপূর্বক গানের
মধ্যে গণ, বর্গ, বর্ণ ও বীজ-বর্ণ ব্যবহার করা কর্ত্তব্য। ৫১১-৫১৬
ক্বচিদন্যত্র সংপ্রোক্তান বিশেষাং স্তান্ ব্রবীম্যহম্।
নকারো নাশয়েল্লক্ষ্মীং হকারস্তুহরেদ্ যশঃ।
সকারং সর্বহৃৎ তস্মাদ গীতাদৌ তং পরিত্যজেৎ ॥ ৫২৭
বীজ-বর্ণ ব্যবহারের ফলাফল সম্বন্ধে অন্যান্য অনেক গ্রন্থে আরও কিছু
বিধি-নিষেধের কথা উল্লিখিত হয়েছে। যেমন, শ্লোক বা গীতের প্রারম্ভে—
‘ন’ বর্ণ প্রযোজিত হলে, ধনহানি ঘটে।
‘হ’ বর্ণ প্রযোজিত হলে, যশোহানি ঘটে।
স বর্ণ প্রযোজিত হলে, সর্বহানি ঘটে।
সুতরাং, শ্লোকে বা গীতে এই বর্ণত্রয় বর্জনীয়। ৫২৭।
উদগ্রাহে ভগণাংশ্চৈব মন্তরেমতলাংস্তথা।
আভোগে হটকাংশ্চৈব নববর্ণান্ পরিত্যজেৎ ॥ ৫২৮
গীতের উদগ্রাহ অংশের প্রারম্ভে ভ, গ ও ণ, অন্তর অংশের প্রারম্ভে ম,
ত ও ল, এবং আভোগ অংশের প্রারম্ভে হ, ট ও ক—সাকুল্যে এই নয়টি বর্ণ
বর্জনীয়। ৫২৮
উদগ্রাহে তু দকারশ্চ মকারশ্চান্তরে তথা।
আভোগে তু বকারশ্চ তত্র লক্ষ্মীঃ ফলং ভবেৎ ॥ ৫২৯
গীতের উদগ্রাহ অংশের প্রারম্ভে ‘দ’, অন্তর অংশের প্রারম্ভে ‘ম’ ও আভোগ
অংশের প্রারম্ভে ‘ব’ বর্ণ ব্যবহারের ফলে সম্পদলাভ হয়ে থাকে। ৫২৯
টিপ্পনী : এখানে লক্ষ্য করবার বিষয়, ৫২৮ সূত্রে অন্তর অংশের বর্জনীয়
বর্ণ হিসাবে “ম” বর্ণটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু ৫২৯ সূত্রের মধ্যে অন্তর
অংশের “ম” বর্ণটিকে আবার অ-বর্জনীয় হিসাবেই পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের
মনে হয়, আলোচ্য সূত্রের “ম” বর্ণটি “প” বর্ণ বা “ভ” বর্ণ ছিল। সেকালের
হস্ত-লিখিত পুঁথি থেকে নকল করতে গিয়ে যথার্থ বর্ণের স্থানে “ম” পাঠ গ্রহণ