सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 266, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৫২ সঙ্গীত পারিজাত
গমক্, মাত্রা প্রভৃতির মতো সাঙ্গীতিক সংজ্ঞাদিরও অস্তিত্ব চিহ্নিত হতো না।
তখন যেমন শব্দের উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত, উৎক্ষিপ্ত প্রভৃতির প্রয়োগ-বৈশিষ্ট্যের
সাহায্যে স্বরের অস্তিত্ব অনুভূতিগ্রাহ্য হতো, তেমনি, সেই স্বর-শব্দ-সম্ভূত
গীতের মীড্, গমক্ মাত্রা-বিভাগ প্রভৃতিও নির্ভরশীল ছিল প্রয়োজনমত লঘু গুরু
উচ্চারণের অক্ষরযুক্ত বাক্য চয়নের ওপর। এই ছিল গণ-এর আদি রূপ।
পরে, দেশী পদ্ধতির সঙ্গীতেও গণ-এর এই আদি রূপটিকে তিনটি বর্ণ বা অক্ষরের
মাধ্যমে চিহ্নিত-করণের দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু, রত্নাকর প্রভৃতি
প্রাচীন গ্রন্থাদিতে দেখা যায়, আদি গণ-এর সংখ্যা আটটি হিসাবে চিহ্নিত হলেও,
ইতিমধ্যে তার অনেক প্রকারভেদও প্রচলিত হয়ে গিয়েছিল—গানের মাত্রা
বিভাগ নিরীক্ষণের জন্য।
রত্নাকর প্রভৃতি গ্রন্থে গুরু ও লঘু অক্ষরকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যথাক্রমে,
“S” ও “I” চিহ্নের দ্বারা। যেমন, আটটি গণ-এর বর্ণ-ব্যবস্থা ছিল :-
ম-গণ = তিনটি গুরু অক্ষরের ব্যবহার—S S S
ন-গণ = তিনটি লঘু অক্ষরের ব্যবহার I I I
ভ-গণ- প্রথমটি গুরু ও পরের দুটি লঘু = S I I
য-গণ = প্রথমটি লঘু ও পরের দুটি গুরু = I S S
জ-গণ = মাঝেরটি গুরু ও বাকি দুটি লঘু = I S I
ত-গণ = প্রথম ও দ্বিতীয় গুরু ও শেষেরটি লঘু = S S I
স-গণ-- প্রথম ও দ্বিতীয় লঘু ও শেষেরটি গুরু = I I S
র-গণ = মাঝেরটি লঘু ও বাকি দুটি গুরু = S I S
গুরুবর্ণের “S” কে যদি দু' মাত্রা ও লঘুবর্ণের “I” কে যদি একমাত্রা হিসাবে
গ্রহণ করা যায়, তাহলে, গণগুলির মাত্রা বিভাগটা কেমন দাঁড়ায় তারও অসংখ্য
উদাহরণ আছে সঙ্গীত রত্নাকরে—অন্যান্য গণ-এর উল্লেখ ও আলোচনা প্রসঙ্গে।
বর্তমানেও, আমরা গণ-এর বিন্যাস লক্ষ্য করতে পারি, অবহিত হলে। যেমন:
যখন সঘন গগন গরজে = চারটি ন-গণ ( III×৪) = ১২ মাত্রা।
ললনা চলিছে চপলা গতিতে = চারটি স-গণ ( II S×৪) = ১৬ মাত্রা।
সা-ধনা বা-সনা কা-মনা যো- - র == চারটি র-গণ (SIS×৪) = ২০ মাত্রা।
ডা-ডিরি ডা-ডিরি ডা-ডিরি ডা-ডিরি = চারটি ভ-গণ (SII×৪) = ১৬ মাত্রা।
—৫১৫-৫১৮