सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 261, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩। যে প্রবন্ধ-গীতির মধ্যে মাত্র চারটি অঙ্গ বিদ্যমান থাকে, তার নাম
দীপিনী জাতীয় প্রবন্ধ।
৪। যে প্রবন্ধ-গীতির মধ্যে মাত্র তিনটি অঙ্গ বর্তমান থাকে, তার নাম
বিলঙ্গিনী জাতীয় প্রবন্ধ
৫। যে প্রবন্ধ-গীতির মধ্যে মাত্র দুটি অঙ্গ বজায় থাকে, তার নাম তারাবলী
জাতীয় প্রবন্ধ। ৫১১২-৫১৩১
টিপ্পনী : সঙ্গীতরত্নাকরেও প্রবন্ধ গীতির পাঁচটি জাতির কথা উল্লিখিত
হয়েছে। কিন্তু, সংখ্যাটা অভিন্ন হলেও নামকরণের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত
হয় রত্নাকরে উল্লিখিত পাঁচটি প্রবন্ধ-জাতিও পারিজাতের মতো ক্রমিক
নিয়মানুসারে বিশ্লেষিত হয়েছে, কিন্তু নামগুলি হচ্ছে যথাক্রমে, ১। মেদিনী,
২। নন্দিনী, ৩। দীপনী, ৪। ভাবনী ও ৫। তারাবলী। অর্থাৎ, দেখা যাচ্ছে
উভয় গ্রন্থের মধ্যে কেবলমাত্র প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম জাতি তিনটি ছাড়া বাকি
দুটি জাতি ভিন্ন নামে উল্লিখিত হয়েছে। রত্নাকরের নন্দিনী ও ভাবনী
পারিজাতের মধ্যে হয়েছে বিদিনী ও বিলঙ্গিনী। রত্নাকরের দীপনীও পারিজাতের
মধ্যে দীপিনী হয়ে গেছে। তবে, এটা উল্লেখযোগ্য বিষয়বস্তু নয়।
সমস্যা হচ্ছে, পারিজাতের মধ্যে প্রাচীন নন্দিনী ও ভাবনী পরিত্যক্ত হয়ে
'বিদিনী' ও বিলঙ্গিনী নামে উল্লিখিত হলো কেন। শাস্ত্রে বলে, ভাষা যোজনান্তরে
গিয়ে বিকৃত হয়ে যায়। কালের প্রভাবে, দেশান্তরের গ্রন্থকারের নিকট,
অনুরূপ কারণে নন্দিনীর বিদিনী হয়ে যাওয়া বা ভাবনার বিলঙ্গিনী হয়ে
যাওয়া বিচিত্র নয়। কিন্তু, আলোচ্য ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেকের নিকটই
যুক্তিগ্রাহ্য হবে না এই কারণে যে, প্রাচীন সাঙ্গীতিক শব্দ ব্যবহার করার
ক্ষেত্রে অহোবল বরাবর শার্ঙ্গদেবকেই অনুসরণ করেছেন, এ ধরনের ব্যতিক্রম
পারিজাতে নেই বললেই হয়। সুতরাং, আলোচ্য ক্ষেত্রে অনেকের পক্ষেই
এমন অনুমান করা অসঙ্গত নয় যে, কালক্রমে, রত্নাকরে উল্লিখিত নন্দিনী ও
ভাবনী জাতির মধ্যে নতুন কিছু সাঙ্গীতিক উপাদান মিশ্রিত হয়েছিল বলেই
জাতিদুটি নামান্তর গ্রহণ করেছিল। কিংবা সম্পূর্ণ নূতন উপকরণ নিয়েই
বিদিনী ও বিলঙ্গিনী বিলুপ্ত নন্দিনী ও ভাবনীর স্থান পূর্ণ করেছিল। অথবা—
পরবর্তী কালের কোন অশিক্ষিত বা অসাবধানী পারিজাত নকলকারীর
দোষেই এই নামান্তর ঘটেছিল। বস্তুতঃ ভারতীয় সঙ্গীত সমাজে, পার্বতীসুত
লম্বোদরকে পাক দিয়ে সূতো লম্বা করো-র উদাহরণ বিরল নয়। বিশেষতঃ