सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 260, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंটিপ্পনী : আজকের দিনের ধ্রুপদ গানগুলির মধ্যে উপরোক্ত ছয়টি অঙ্গকে
প্রায় অটুট রূপেই পাওয়া যায়। অবশ্য, ধ্রুপদ পদ্ধতি বর্তমানে প্রায় অচল
অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। দু' একজন প্রবীণ ধ্রুপদী ও তাঁদের অতি-নগণ্য শিষ্য-
সম্প্রদায়ের কণ্ঠে যে সব ধ্রুপদ শোনা যায় সেগুলির অধিকাংশই তানসেন প্রমুখ
স্রষ্টাদেরই রচনা। সুতরাং, একালের সৃষ্ট কোন ধ্রুপদের মধ্যে আলোচ্য ছয়টি
অঙ্গ বর্তমান থাকে কি না সে আলোচনার সুযোগ নেই। তবে, বর্তমান শতাব্দীর
প্রথম দিকে প্রখ্যাত কাশীনাথ যে সব ধ্রুপদাঙ্গ চতুরঙ্গ রচনা করেছিলেন বা
যদু ভট্ট, ক্ষেত্রমোহন গোস্বামী প্রমুখ বিষ্ণুপুরের সনিষ্ঠ সঙ্গীত-সেবীরা যে সব
ধ্রুপদ রচনা করেছিলেন, সে সব গানের মধ্যে আলোচ্য ছয়টি অঙ্গকে পাওয়া
যায়। কিন্তু, পূর্ব সূত্রের টিপ্পনীতে বলেছি, আমাদের সব ধ্রুপদ গানই চার
ধাতুযুক্ত নয়। অর্থাৎ, স্থায়ী ও অন্তরাযুক্ত যে সব ধ্রুপদ প্রচলিত আছে, সেই
সব গানের মধ্যে প্রাচীন ছয়টি অঙ্গের স্থান সঙ্কুলন হয় না। তবে, চার ধাতুযুক্ত
ক্ল্যাসিক্যাল গানগুলির মধ্যে, সাধারণতঃ ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয় না।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখযোগ্য এই যে, চার ধাতুযুক্ত সব ধ্রুপদের মধ্যেই যে আলোচ্য
ছয়টি অঙ্গকে পাওয়া যায়, তা নয়। চতুরঙ্গ গানের মধ্যে হয়তো “তেন” অঙ্গ
বাদ পড়তে পারে। অনুরূপ নিরঙ্কুশ পদযুক্ত গানের মধ্যে থেকে চঞ্চৎপুট,
স্বর ও পাটও বাদ পড়তে পারে। কিন্তু, সামগ্রিক বিচারে, ধ্রুপদ পদ্ধতির
মধ্যে আলোচ্য ছয়টি অঙ্গই বজায় থাকে। ॥ ৫০৯।৫১১-১
প্রবন্ধ জাতয়ঃ পঞ্চ ইতি প্রোক্তাঃ ক্রমেণ চ॥ ৫১১২
ষড়্ভিরেতৈর্মেদিনী স্যাং বিদিনী পঞ্চভির্ভবেৎ।
চতুর্ভি দীপিনী জাতি স্ত্রিভিরঙ্গৈর্বিলম্বিনী॥ ৫১২
দ্বাভ্যাং তারাবলী জাতিরিতি সূরি বিনির্ণয়ঃ। ৫১৩।১
প্রবন্ধগীতি পাঁচটি জাতিতে বিভক্ত। ক্রমিক সংখ্যানুসারে এই পাঁচটি
জাতির পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে। যথা :—
১। যে প্রবন্ধগীতির মধ্যে (পূর্বোক্ত পদ, তাল, স্বর, পাট, তেন ও
বিরুদ) ছয়টি অঙ্গই বিদ্যমান থাকে, তার নাম মেদিনী জাতীয়
প্রবন্ধ।
২। যে প্রবন্ধগীতির মধ্যে মাত্র পাঁচটি অঙ্গ থাকে, তার নাম বিদিনী
জাতীয় প্রবন্ধ।