सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 259, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंতারপর, গতি-সঙ্গতির সামঞ্জস্য বজায় রেখেই এঁরা দ্রুত গমকগুলিকে “ঘসিট্” ও
ও “সূত্”-এ রূপান্তরিত করতে করতে ক্রমে আবার ফিরে আসতেন মধ্য লয়ের
মীড়-এ। এবং শেষে, বিলম্বিত লয়ের উপযুক্ত চার পাঁচ স্বরের দীর্ঘ মীড়-এর
সাহায্যে স্বস্থানে প্রত্যাবর্তন করে, হয় বাজনা শেষ করতেন কিংবা কেউ কেউ
আবার সেই লয় থেকেই "তার-পরণের” কাজ আরম্ভ করতেন। আলোচ্য ক্ষেত্রে
লক্ষ্য করবার বিষয় এই যে, সঞ্চারী-আভোগকে একই ধাতুর প্রতিপাদ্য হিসাবে
গ্রাহ্য করবার নিগূঢ় কারণটি সম্বন্ধে ওয়াকিফহাল না হয়েও এই সব বীণকার
একাধারে প্রবন্ধ ও ধ্রুবপদ পদ্ধতির মর্যাদা রক্ষা করতেন। অর্থাৎ, সঙ্গীতের
মধ্যে চারটির অধিক ধাতুনাম ব্যবহার করতেন না।
কিন্তু, পঞ্চ-ধাতুযুক্ত বাজের অস্তিত্বও আছে। এই বাজটির ঘরোয়ান।
ঐতিহ্য ও উদ্ভবকাল সম্পর্কে যে তর্কের অবকাশ আছে সে কথা বলাই বাহুল্য।
কিন্তু বর্তমানে, মূলতঃ খাতাপত্রের মাধ্যমে এই পঞ্চ ধাতুযুক্ত বাজের অস্তিত্ব
পরিলক্ষিত হয়। যথা, স্থায়ী, অন্তরা, ভোগ, আভোগ ও সঞ্চারী অর্থাৎ,
এ ক্ষেত্রে ভোগাভোগকে একটি ধাতু অন্তর্গত না করে দুটি ধাতুর মধ্যে গ্রহণ
করা হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, এই পঞ্চধাতুযুক্ত সঙ্গীতের পরিকল্পনার সঙ্গে
প্রাচীন প্রবন্ধ গীতি পদ্ধতির পঞ্চধাতু সম্পর্কিত গতানুগতিক পরিচিতিটা
স-সম্পর্কযুক্ত নয়। ৩৭-৫০৩
পদতাল স্বরাঃ পাটস্তেনো বিরুদ মেবচ।
প্রবন্ধস্য ষড়ঙ্গানি কীৰ্ত্তিতানি মনীষিভিঃ ॥ ৫০৯
ধ্বনি বাচকাঃ শব্দা স্তালাশ্চঞ্চৎ পুটাদয়ঃ।
স্বরাঃ ষড়জাদয়স্তেষ্যাং পাটো বাদ্যোদ্ ভবাক্ষরম্ ॥ ৫১০
তেনঃ স্যান্মঙ্গলং শব্দো বিরুদং গুণ নামধূক্। ৫১১১
প্রাচীন সঙ্গীতজ্ঞগণ প্রবন্ধ গীতির ছয়টি অঙ্গের কথা বলে গেছেন। যথা—
১। পদ ২। তাল ৩। স্বর ৪। পাট ৫। তেন ও ৬। বিরুদ।
এই ছয়টি অঙ্গের মধ্যে—
১। অর্থ-বাচক শব্দকে বলে পদ। ২। চঞ্চৎপুট প্রভৃতি হচ্ছে তালের
নাম। ৩। ষড়, ঋষভ্ প্রভৃতি হচ্ছে স্বর। ৪। বাদ্য সমুদ্ভূত অক্ষরের
নাম পাট। ৫। মাঙ্গলিক অর্থে প্রযোজিত শব্দ-বিশেষকে তেন বলে
এবং ৬। গানের বর্ণনীয় ব্যক্তির গুণবাচক শব্দকে বলে বিরুদ।