सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 257, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 257

[Page Header]
সঙ্গীত পারিজাত ২৪৩

বেশী “উচ্চস্বর” নিযুক্ত করা হতো; কিন্তু, তার গতিটা ছিল মূলতঃ অবরোহণ
প্রভাবযুক্ত। অর্থাৎ আভোগের স্বরূপ প্রকাশের মধ্যে, স্ব-স্থানে প্রত্যাবর্তন
করার একটা প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হতো মিশ্রগতির মাধ্যমে। প্রসঙ্গক্রমে এখানে
একথাও উল্লেখযোগ্য যে, প্রবন্ধ গীতি-পদ্ধতির মধ্যে আভোগ নামক ধাতুটির
অস্তিত্ব সম্ভবতঃ উদগ্রাহ, ধ্রুব প্রভৃতি ধাতুর মতো সুপ্রাচীন নয়। সঙ্গীত
রত্নাকরের কিছুকাল পূর্বে বিরচিত সঙ্গীত-সময়সার গ্রন্থে, গ্রন্থকার পার্শ্বদেব
স্পষ্টই উল্লেখ করেছেন, আভোগ নামক ধাতুটির স্রষ্টা পরমর্দি। পরমর্দি ছিলেন
একাদশ শতাব্দীর সঙ্গীত-বিজ্ঞানী।
বিলুপ্ত প্রবন্ধ গীতি-পদ্ধতির মতো ধ্রুবপদ গীতি-পদ্ধতিও আজ আসন্ন মৃত্যুর
সম্মুখীন। এবং, পদ্ধতিটা অচিরেই যে প্রবন্ধ গীতি-পদ্ধতির মতো অতীতের
অতলে তলিয়ে যাবে সে সম্বন্ধে অবহিত হয়েই এই পদ্ধতিটি সম্পর্কিত
ব্যতিক্রমের নজীরগুলোও এখানে উল্লেখ করা যুক্তিযুক্ত মনে করছি।
ধ্রুবপদ পদ্ধতির মধ্যে ধাতু হিসাবে স্থায়ী, অন্তরা, সঞ্চারী, আভোগের
যথাযথ প্রয়োগ প্রায় সর্বজনপরিচিত। কিন্তু, উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত সমাজে,
৩০।৪০ বছর পূর্বেও, এমন ধ্রুপদী ‘ঘরও’ ছিল, যে ঘরের শিল্পীরা সঞ্চারীর
পরিবর্তে ভোগ কথাটিকে ব্যবহার করতেন। প্রাচীন সঙ্গীত শাস্ত্রে এই “ভোগ”
কথাটির স্বরূপ কী ছিল সে প্রসঙ্গ আপাততঃ অপ্রাসঙ্গিক, কিন্তু, আলোচ্য ঘরের
শিল্পীরা নজীর হিসাবে যে সব খাতাপত্র দাখিল করতেন, তার ওপর নির্ভর করে
স্পষ্টই ধারণা জন্মাতো—সঞ্চারী আভোগের স্থলে “ভোগাভোগের” প্রচলনটা
প্রায় তানসেনের আমল থেকেই চলে আসছে। অপরপক্ষে, তানসেন বংশীয়
ওস্তাদদের মধ্যে ভোগাভোগের পরিবর্তে সঞ্চারী আভোগের ব্যবস্থাটাই একমাত্র
ব্যবস্থারূপে গ্রাহ্য হতে দেখা যায়। প্রখ্যাত আল্লাদিয়া খাঁ সাহেবের 'ঘরে'
ভোগাভোগ প্রচলিত ছিল। কিন্তু, আগ্রা ঘরের মুজফ্ফর খাঁ, ফৈয়াজ খাঁ প্রমুখ
ওস্তাদরা সঞ্চারী আভোগের নামকরণটাকেই শাস্ত্রসম্মত মনে করতেন।
ধ্রুপদ গানের মতো বীণকারী বাজের মধ্যেও সঞ্চারী আভোগের প্রয়োগ
ব্যবস্থার ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হতো। বর্তমানে, রেডিও যন্ত্রটির মাধ্যমে, মাঝে
মাঝে যা দু'একটা বীণাবাদনের প্রোগ্রাম শোনা যায়, তা শুনে, বীণকারী বাজ
সম্বন্ধে কোন রকম ধারণায় উপনীত হওয়া কারুর পক্ষেই সম্ভবপর নয়। কিন্তু,
৩০।৪০ বছর পূর্বে, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতটা যখন আজকের মতো মাস্-এর সম্পত্তি না
হয়ে গিয়ে ক্লাশ-এর মধ্যেই গণ্ডীবদ্ধ ছিল, তখন বীণকারী বাজের বিভিন্ন