सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 256, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 256

২৪২ সঙ্গীত পারিজাত
প্রাচীন ‘অন্তর’ প্রবন্ধ-পরবর্তী যুগ থেকে অন্তরা নামে প্রচলিত হয়েছে।
বর্তমানে সব রকম সঙ্গীতের মধ্যেই অন্তরাকে দ্বিতীয় ধাতুরূপে পাওয়া যায়।
তবে, সেতার, শরদ প্রভৃতি যন্ত্রের মাধ্যমে পরিবেশিত কিছু কিছু খেয়ালাঙ্গ
গৎ-এর মধ্যে—অন্ততঃ ধাতুনাম হিসাবে অন্তরার অস্তিত্ব গ্রাহ্য না হতে দেখা
যায়। কিন্তু, ধ্রুপদাঙ্গ সঙ্গীতের মধ্যে অন্তরা অপরিহার্য ধাতুরূপেই বর্তমান
থাকে।
প্রাচীন আভোগ আজও অস্তিত্ব বজায় রেখেছে, কেবলমাত্র ধ্রুপদাঙ্গ
সঙ্গীতের মধ্যে; কিন্তু, দ্বি-খণ্ডিত হয়ে। ধ্রুপদ গীতি-পদ্ধতির স্রষ্টাগণ, প্রাচীন
সালগ-সূড় প্রবন্ধর দুইভাগে বিভক্ত ধ্রুব ধাতুকে (রূপান্তরিত গায়কীর ক্ষেত্রে?)
যেমন স্থায়ী ও অন্তরা ধাতু হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন, তেমনি প্রাচীন
আভোগের দুটি ভাগকেও ব্যবহার করেছিলেন সঞ্চারী ও আভোগ ধাতুরূপে।
আলোচ্য ক্ষেত্রে ধাতু ব্যবস্থার পার্থক্য এই যে, প্রাচীন সালগ-সূড় জাতীয়
প্রবন্ধর মধ্যে অন্তরাকে ‘অন্তর’ ধাতু হিসাবে পাওয়া যায়, কিন্তু, সঞ্চারী নামক
কোন ধাতুর অস্তিত্ব—স্থায়ী ধাতুর মতো—প্রবন্ধ গীতি-পদ্ধতির মধ্যে ছিল না।
বলা বাহুল্য, স্থায়ী ধাতুর পরিকল্পনার মতোই, নিগূঢ় বৈজ্ঞানিক যুক্তিতেই,
সঞ্চারী ধাতুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল ধ্রুপদাঙ্গ পদ্ধতির মধ্যে। এবং,
এখানে এ কথাও উল্লেখযোগ্য যে, স্থায়ী ধাতুর সঙ্গে যেমন স্থায়ী বর্ণের কোন
সম্পর্ক নেই তেমনি সঞ্চারী ধাতুটিরও সঞ্চারী বর্ণের সঙ্গে সম্পর্কহীন। ধাতুনাম
হিসাবে স্থায়ী ও সঞ্চারীর পরিকল্পনাটা গ্রহণ করা হয়েছিল, প্রবন্ধ যুগের
রাগালাপের স্থায়ী ও সঞ্চার নামক ক্রিয়াসিদ্ধ অংশের সংজ্ঞা থেকে।
“রাগস্থায়ত্বব স্থায়ঃ”— এর মতো রাগালাপের ‘সঞ্চার’ অংশটিও একটি বিশিষ্ট রূপ
প্রকাশ করতো। অর্থাৎ, বোঝা যাচ্ছে, অধিকাংশ ঘরোয়ানা ধ্রুপদের সঞ্চারীর
মতো প্রাচীন আভোগ ধাতুর প্রথম অংশটিও একই অবরোহণ আরোহণযুক্ত
মিশ্র গতির ছন্দে স-গমক মুদারা সপ্তকের বাদী-সম্বাদীকে কেন্দ্র করে পরিক্রমণ
করতো এবং এই পরিক্রমণ সমাধা করেই সোজা তারার সপ্তককে আশ্রয়
করতো আভোগের দ্বিতীয় অংশটিকে অবলম্বন করে। কিন্তু, প্রাচীন আভোগের
এই দ্বিতীয় অংশটি অন্তরার পুনরাবৃত্তি ছিল না। স্থায়ীর প্রতিপাদ্যের সঙ্গে যেমন
সঞ্চারীর কোন সম্পর্ক নেই, তেমনি অন্তরা ও আভোগের প্রতিপাদ্যও
অভিন্নধর্মী নয়। প্রাচীন ‘অন্তর’ ধাতুর গতিটা ছিল নিরঙ্কুশ আরোহণ
প্রভাবযুক্ত। প্রাচীন আভোগ ধাতুর মধ্যে আবার অন্তরের তুলনায় আরও