सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 254, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 254
২৪০সঙ্গীত পারিজাত

“আপস্তন” নামক প্রারম্ভিক সাঙ্গীতিক ক্রিয়াকাণ্ডটির সঙ্গে সুপরিচিত।
“আপস্তন” ও উদ্‌গ্রাহ অভিন্নধর্মী। অধিকন্তু, ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশে
আজও এমন অনেক লোক-সঙ্গীত ও লোক-নৃত্য প্রচলিত আছে, যার প্রারম্ভিক
ক্রিয়াদির মধ্যে প্রাচীন উদ্‌গ্রাহ ধাতুর প্রতিপাদ্যকে খুঁজে পাওয়া যায়।
বলা বাহুল্য, প্রবন্ধ গীতি পদ্ধতি লুপ্ত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার উদ্‌গ্রাহ
ধাতুটিও ধাত হিসাবে লুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু, অন্যান্য ধাতুগুলি আজও বেঁচে
আছে ধ্রুপদাঙ্গ ও খেয়াল-অঙ্গ গান বাজনার মধ্যে। যেমন—
প্রাচীন উদ্‌গ্রাহের স্থান গ্রহণ করেছে স্থায়ী। এই স্থায়ী ধাতুটি, প্রাচীন
ধ্রুব ধাতুর মতো, বর্ত্তমানে প্রচলিত সব রকম গান-বাজনার মধ্যেই প্রথম ধাতু
হিসাবে বর্ত্তমান থাকে। এখানে স্মরণ রাখা দরকার, এই স্থায়ীর সঙ্গে স্থায়ী
বর্ণের কোন সম্পর্ক নেই। রত্নাকর বর্ণিত “রাগস্থায়াবয়বং স্থায়”—অর্থাৎ “স্থায়”-
এর মধ্যেই রাগের স্বরূপ বর্ত্তমান থাকে— এই সত্যটিকেই গ্রহণ করেছিলেন
ধ্রুপদ গীতি পদ্ধতির স্রষ্টাগণ। উদ্‌গ্রাহ বর্ত্তমানে বিলুপ্ত তথা অস্বীকৃত।
প্রাচীন মেলাপক ধাতুটি পরবর্তী কালে নামান্তরিত হয়েছে “সানঝা-মানঝা”
বা “মানঝা” নামে। প্রাচীন মেলাপকের মতো পরবর্তী কালের মানঝাও দ্বিতীয়
ধাতুরূপে চিহ্নিত। কিন্তু, এই মানঝার ব্যবহার, বর্তমানে, কোন রকম কণ্ঠ
সঙ্গীতের মধ্যেই প্রযোজ্য হয় না, কেবলমাত্র সেতার, শরদ প্রভৃতি যন্ত্রের
মাধ্যমে পরিবেশিত খেয়াল-অঙ্গ গৎ-এর মধ্যেই মানঝাকে ধাতু হিসাবে ব্যবহৃত
হতে দেখা যায়। কিন্তু সব গৎ-এর মধ্যেই যে মানঝার অস্তিত্ব থাকে তা-ও
নয়—কোন কোন গৎ-এর মধ্যে থাকে। অর্থাৎ, প্রাচীন প্রথম ধাতু উদ্‌গ্রাহের
মতো পরবর্তী কালের প্রথম ধাতু স্থায়ীও মূলতঃ দুটি অংশে বিভক্ত। কণ্ঠ
সঙ্গীতের ক্ষেত্রে মানঝাকে বিলুপ্ত করা হয়েছে স্থায়ীর দ্বিতীয় অংশের মধ্যে।
কিন্তু, যন্ত্র সঙ্গীতের মাধ্যমে খেয়ালাঙ্গ বাজনা পরিবেশন কবার ক্ষেত্রে—কোন
কোন গৎ এর স্থায়ী ধাতুর দ্বিতীয় অংশটিকে মানঝা নামে চিহ্নিত করা হয়ে
থাকে। বলা বাহুল্য, প্রাচীন মেলাপক ধাতুটি নামান্তরিত হয়েও আজও
‘ধাতুনাম’ হিসাবে অস্তিত্ব বজায় রেখেছে খেয়ালাঙ্গ পদ্ধতির যন্ত্র-সঙ্গীতের মধ্যে।
প্রাচীন ধ্রুব ধাতুটিও, প্রাচীন উদ্‌গ্রাহ ধাতুর মতো বর্তমানে বিলুপ্ত।
কিন্তু, ধাতুনাম হিসাবে ধ্রুবর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হলেও তার প্রতিপাদ্য বিষয়সমূহ
অস্বীকৃত নয়। বর্তমানের স্থায়ী ধাতুটির প্রতিপাদ্য প্রাচীন ধ্রুবেরই অনুরূপ।
পার্থক্য কেবল এই যে, প্রাচীন ধ্রুব ছিল প্রবন্ধ গীতি-পদ্ধতির তৃতীয় ধাতু