सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 251, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 251

সঙ্গীত পারিজাত ২৩৭
রকমের প্রবন্ধ গীতির পরিচয় লিপিবদ্ধ আছে, তার মধ্যে কেবলমাত্র সালগ-সূড
জাতীয় প্রবন্ধ গীতির একটি রূপান্তরিত প্রকার ব্যতীত অন্য কোন রকম প্রবন্ধ
গীতির মধ্যে 'অন্তর' নামক ধাতুটির ব্যবহার হতো না। কিন্তু, আলোচ্য
বক্তব্যের তাৎপর্য্য এ-ও নয় যে, সালগ্-সূড জাতীয় এই রূপান্তরিত প্রবন্ধ
গীতিগুলি পাঁচটি ধাতুর মাধ্যমে গীত হতো। এখানে আমাদের স্মরণ রাখতে
হবে, যে কোন জাতের প্রবন্ধ গীতিই হোক না কেন, কোন প্রবন্ধই কখনও
পাঁচটি ধাতুযুক্ত হয়ে গীত হতো না। বর্তমানে প্রচলিত ধ্রুপদ, ধামার, সাদ্‌রা,
খেয়াল প্রভৃতি গানের ধাতুর মতো, সেকালের প্রবন্ধ গীতিগুলিও, জাতি ও
প্রকারভেদে,—দ্বিধাতুযুক্ত, ত্রিধাতুযুক্ত ও চার ধাতুযুক্ত হতো, কিন্তু, কোন
অজুহাতেই পাঁচ ধাতুযুক্ত হতে পারতো না। সুতরাং বলাই বাহুল্য, আলোচ্য
সালগ্-সূড জাতীয় রূপান্তরিত প্রবন্ধগুলির ক্ষেত্রেও চারটির অধিক পাঁচটি
ধাতুযুক্ত করবার উপায় ছিল না। কিন্তু তাই যদি হয়, তাহলে অহোবল,
শার্ঙ্গদেব প্রমুখ গ্রন্থকারেরা 'অন্তর' ধাতুটির উল্লেখ করলেন কেন? কেনই বা
বিষয়বস্তুর পরিবেশনটা এমনভাবে করলেন, যার ফলে, সাধারণ বুদ্ধিতে, পাঁচটি
ধাতুযুক্ত প্রবন্ধ গীতির অস্তিত্বটাই মনকে আচ্ছন্ন করে?
এ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেছেন, রত্নাকরের অন্যতম টীকাকার কল্লিনাথ। তিনি
বলছেন, “অয়মন্তরো লৌকিকরূপান্তর ইত্যাচ্যতে।” অর্থাৎ, আলোচ্য সালগ-
সূড জাতির রূপান্তরিত প্রবন্ধ গীতিগুলির মধ্যে যে “অন্তর” ধাতুটিকে পাওয়া
যায়, সে “অন্তর” ধাতু হিসাবে নিরঙ্কুশ নয়, ধ্রুব ধাতুরই লৌকিক রূপান্তর
মাত্র। এবং, এই “অন্তর” কে 'ধ্রুবখণ্ড' হিসাবেই গ্রাহ্য করা কর্তব্য। অর্থাৎ—
আলোচ্য প্রবন্ধ গীতিগুলির ক্ষেত্রে “অন্তর” নামক ধাতুটি, অন্যান্য ধাতুর
মতো, ধাতু হিসাবে গণ্য নয়। পরন্তু, সব সালগ-সূড জাতীয় প্রবন্ধর মধ্যেই
যে “অন্তর”কে পাওয়া যাবে তা-ও নয়। অর্থাৎ, কোন কোন সালগ-সূড
জাতীয় প্রবন্ধর রূপান্তরিত গীতি-পদ্ধতির ক্ষেত্রে “অন্তর”কে পাওয়া যায়। এবং,
যে ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে গানের মধ্যে থেকে ধাতু হিসাবে “ধ্রুব ধাতুর”
উল্লেখটা পরিত্যক্ত হয়, কারণ, “অন্তর” এখানে “ধ্রুবখণ্ড” হিসাবেই গ্রাহ্য হচ্ছে।
অপরপক্ষে, ধ্রুব ধাতুর উল্লেখ বজায় রেখে যদি আবার “অন্তর”কে ধাতু হিসাবে
উল্লেখ করতে হয়, তাহলে, আলোচ্য প্রবন্ধ গীতির ধাতু সংখ্যাটা হয়ে যায়
চারের পরিবর্তে পাঁচ। পাঁচ ধাতুযুক্ত গীতির অস্তিত্ব, সাঙ্গীতিক ব্যাভিচারেরই
নামান্তর মাত্র।