सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 250, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৬৬ সঙ্গীত পারিজাত
১। যে ভাগটিকে অবলম্বন করে গান আরম্ভ করা হয়, সেই প্রথম ভাগটির
নাম উদগ্রাহ।
২। যে ভাগটি মধ্যবর্তী হয়ে প্রথম ভাগটির সঙ্গে তৃতীয় ভাগটিকে মিলিয়ে
দেয়, সেই দ্বিতীয় ভাগটির নাম মেলাপক।
৩। যে ভাগটি প্রত্যেক গীতের মধ্যেই অপরিহার্যরূপে বিরাজ করে, সেই
তৃতীয় ভাগটির নাম ধ্রুব।
৪। ধ্রুবের পরবর্তী চতুর্থ ভাগটির নাম অন্তর।
৫। গীতের সমাপ্তির ক্ষেত্রে যে ভাগটি প্রযোজিত হয় সেই পঞ্চম বা
শেষ ভাগটির নাম আভোগ। —৫০৭-৫০৮।
টিপ্পনী : আলোচ্য সূত্রদুটির মধ্যে পারিজাতকার গীত কথাটিকে ব্যবহার
করেছেন। গীত অর্থে এখানে প্রবন্ধ গীত বোঝাচ্ছে।
প্রবন্ধ গীতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য পাঁচটি বিভাগ—সাঙ্গীতিক ভাষায় যার নাম
ধাতু—সেই পাঁচটি ধাতুর সংক্ষিপ্ত পরিচয়মাত্র আলোচ্য সূত্রদুটির মধ্যে
পরিবেশিত হয়েছে। কিন্তু, এই পঞ্চধাতুর পরিচয়কে পঞ্চ ধাতুর যথারূপ স্থাপনা
হিসাবে গ্রহণ করলে অত্যন্ত ভুল করা হবে। বর্তমানে, ধ্রুপদ পদ্ধতির গানের
মধ্যে সাধারণতঃ আমরা যে চারটি ধাতুর পরিচয় পাই, সেই ধাতু চারটি
যথাক্রমে, স্থায়ী, অন্তরা, সঞ্চারী ও আভোগরূপে ধ্রুপদ গানের মধ্যে পরের পর
অস্তিত্ব বজায় রাখে। কিন্তু, প্রবন্ধ গীতির ক্ষেত্রে, উদগ্রাহ, মেলাপক, ধ্রুব,
অন্তর ও আভোগ নামক পাঁচটি ধাতু—ধ্রুপদ গানের মতো—পরের পর যে
স্থাপিত হতোই, এমন কথা মনে করলে অত্যন্ত ভুল করা হবে। এখানে
বিশেষভাবেই স্মরণ রাখতে হবে, বর্তমানের ধ্রুপদ গানের মতো সেকালের
প্রবন্ধ গানের মধ্যেও চারটির বেশী ধাতু থাকতো না।
কিন্তু তাই যদি হবে, তাহলে প্রবন্ধ গীতের পরিচয় প্রসঙ্গে গ্রন্থকার চারটির
পরিবর্তে পাঁচটি ধাতুর নামোল্লেখ করলেন কেন?
এ প্রশ্নের উত্তর পারিজাতে নেই। কিন্তু, রত্নাকরে আছে। রত্নাকরের
প্রবন্ধাধ্যায়ের ৯১০ সূত্রে গ্রন্থকার বলেছেন—"ধ্রুবাভোগান্তরেজাতো
ধাতুস্তোন্তস্ত্বভাবিধঃ স তু সালগসূড়স্থ রূপকেম্বেবদৃশ্যতে।” অর্থাৎ, কেবলমাত্র
সালগ-সূড জাতীয় প্রবন্ধগুলির রূপান্তরিত গীতি-পদ্ধতির মধ্যে, ধ্রুব ও
আভোগের মধ্যবর্তী হিসাবে 'অন্তর' ধাতুটিকে পাওয়া যায়।—
এখানে লক্ষ্য করবার বিষয় প্রাচীন সঙ্গীত গ্রন্থাদির মধ্যে যে অসংখ্য