सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 249, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসরল। অর্থাৎ একই সঙ্গে দু’ রকম “গীতির” উল্লেখ না করে ইনি রূপ ও গেয়
কথা দুটি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু, আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন সেটা
দুর্বোধ্য। দেখা যায়, তানসেনের পরবর্তী যুগে অনেকে রূপক আলাপকে
“রূপ-আলাপ” নামেও অভিহিত করেছেন। কিন্তু, অহোবলের “রূপ” যে ওই
ধরনের কোন অপভ্রংশ সংজ্ঞার উদ্ধৃতি এমন অনুমান করবার উপায় নেই।
কারণ, পারিজাতের মধ্যে রূপ ও রূপক নামক দুটি সংজ্ঞাই স্বনামে অস্তিত্ব
রক্ষা করছে। “গেয়” সম্বন্ধেও অনুরূপ সমস্যার উদ্ভব হয়। এই “গেয়”
সংজ্ঞাটাকে প্রাচীন গান্ধর্বের গেয়-রূপেও গ্রহণ করা যেতে পারে অথবা কোন
অর্বাচীন গীতি-পদ্ধতির গেয়-রূপেও কল্পনা করা যেতে পারে। এই প্রসঙ্গে
উল্লেখযোগ্য যে সঙ্গীত পারিজাত উত্তর-ভারতীয় সঙ্গীত গ্রন্থ হলেও,
কর্ণাটক তথা দক্ষিণ-ভারতীয় সঙ্গীত বিজ্ঞানের ওপর অহোবলের অধিকার
যে অল্প ছিল না তার অসংখ্য প্রমাণ পারিজাতের মধ্যেই আছে। সুতরাং,
“রূপ” ও “গেয়” অর্থে তিনি কোন স্বল্পকাল প্রচলিত কর্ণাটিক প্রবন্ধদ্বয়ের
উদাহরণ স্থাপন করে গেছেন—এমনও হতে পারে। হতে পারে, এই কর্ণাটিক্
পদ্ধতি দুটি হিন্দুস্তানেও প্রচলিত হয়েছিল কিছুকালের জন্যে; পরে বিলুপ্ত
হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আসলে যে কী হয়েছিল, তা আমাদের পক্ষে জানা
সম্ভবপর হচ্ছে না। ৫০৪
পঞ্চধা কথিতো ভাগো গীতেঽস্মিন্ পূর্বসূরিভিঃ।
আদ্য উদ্গ্রাহকো জ্ঞেয়ো মেলাপকস্তদুত্তরঃ॥ ৫০৫
তৃতীয়ো ধ্রুবসংজ্ঞঃ স্যাদন্তরঃ স্যাচ্চতুর্থকঃ।
আভোগঃ পঞ্চমোভাগঃ পঞ্চানাং লক্ষণং ব্রুবে॥ ৫০৬
প্রাচীন সঙ্গীতাচার্যদের মতানুযায়ী, এই গীতি-পদ্ধতি পাঁচটি ভাগে বিভক্ত।
এর প্রথম ভাগের নাম, উদ্গ্রাহ। দ্বিতীয় ভাগের নাম মেলাপক। তৃতীয়
ভাগের নাম ধ্রুব। চতুর্থ ভাগের নাম অন্তর। এবং পঞ্চম ভাগের নাম
আভোগ। অতঃপর এই বিভাগ পাঁচটির লক্ষণাদি বলা যাচ্ছে। ৫০৫-৫০৬
আদাবুদ্গৃহ্যতে গীতং তস্মাদুদ্গ্রাহ সংজ্ঞকঃ।
মেলাপকঃ স বিজ্ঞেয়ো ধ্রুবকোদ্গ্রাহ মেলনাৎ॥ ৫০৭
ধ্রুবত্বাদ্ ধ্রুব-সংজ্ঞোঽয়ং ধ্রুবা ভোগান্তরোঽন্তরঃ।
আভোগো গীত পূর্ণার্থমিতি ভাগাঃ প্রকীর্তিতাঃ॥ ৫০৮