सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 248, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২০৪ সঙ্গীত পারিজাত
টিপ্পনী : পারিজাতকার নিবন্ধ সঙ্গীতের সংখ্যা নির্দেশ করেছেন, পাঁচ।
কিন্তু, রত্নাকর বলছেন, নিবন্ধ গীতের সংখ্যা হচ্ছে তিন। যথা, রূপক, বস্তু ও
প্রবন্ধ। তাহলে, রূপ এবং গেয় নামক অতিরিক্ত দুটি নিবন্ধ-গীতিকে অহোবল
পেলেন কোথায়? তাঁর সময় কি রূপ এবং গেয় নামক আরও দুটি নিবন্ধ-
গীতি-পদ্ধতি অতিরিক্ত হিসাবে প্রচলিত হয়েছিল?
দামোদর বিরচিত সঙ্গীত-দর্পণ (১৬১০ খৃঃ অঃ) একখানি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
দামোদরও তাঁর প্রবন্ধাধ্যায়ের চতুর্থ সংখ্যক সূত্রে বলেছেন :
গীতঞ্চরূপকংবস্তু প্রবন্ধোঙ্গেয়মিত্যপি।
গীতং পঞ্চবিধাপ্রোক্তা গ্রন্থেস্মিন্পূর্বসূরিভিঃ॥
এখানেও নিবন্ধ গীতির সংখ্যা পাঁচ এবং “গীত” কথাটাকেই দুবার ব্যবহার
করেছেন দামোদর দু’ রকম অর্থে। ফলে, অহোবলের তুলনায় এঁর বক্তব্য-
বিষয়ট। আরও দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে।
দামোদরের অস্তিত্বকালটা অহোবলের মতো রহস্যারুত নয়। অর্থাৎ
দামোদরের সম-সাময়িককালে এ দেশে কোন কোন পদ্ধতির সঙ্গীত প্রচলিত
ছিল তার প্রমাণ পাওয়া কঠিন নয়। এই আমলে প্রবন্ধ-গীতি-পদ্ধতি বিলুপ্ত
হয়ে গিয়েছিল এবং প্রচলিত ছিল ধ্রুপদ্ পদ্ধতি, দরবারী সঙ্গীত রূপে।
অপরপক্ষে, আমীর খসরো প্রবর্তিত নক্শগুল তথা কাওয়াল পদ্ধতি ও
পরবর্তী কালে যা খেয়াল পদ্ধতিরূপে প্রতিষ্ঠালাভ করেছিল, সেই পদ্ধতির আদিম
রূপটিও সঙ্গীত-রসিক সমাজে প্রচলিত ছিল অ-দরবারী পদ্ধতিরূপে। এখন
আলোচ্য ক্ষেত্রে আমাদের বিবেচ্য—সঙ্গীত দর্পণ প্রণেতা এই দরবারী ও
অ-দরবারী পদ্ধতি দুটিকে দুটি নূতন গীতি-পদ্ধতির মর্যাদা দিয়ে গ্রন্থভুক্ত
করেছিলেন কি না। কিংবা—
দামোদর তার আলোচ্য সূত্রের প্রারম্ভিক “গীত” কথাটিকে গান্ধর্ব অর্থেই
স্থাপন করেছিলেন এবং পরবর্তী “গীত” কথাটিকে “গান্ধর্ব এবং গান”-এর
“গান”—অর্থাৎ দেশী পদ্ধতির গীত অর্থেই সংকলন করেছিলেন কি না সেটাও
বিচার্য। বিচার্য, নিবন্ধ পদ্ধতির প্রবন্ধ সঙ্গীতের পরিচয় দিতে গিয়ে, কোন
প্রাচীন গ্রন্থকারের পক্ষে, দেশী পদ্ধতির সঙ্গীতকে পৃথক সংজ্ঞায় ভূষিত করবার
মতো বুদ্ধি-বিবেচনা থাকা সম্ভবপর কি না।
অহোবলের উদ্ধৃত অতিরিক্ত সংজ্ঞা দুটি দামোদরের তুলনায় কথঞ্চিৎ