सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 176, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें১৬০ সঙ্গীত পারিজাত
সরগম্ পদপ মপনর্স' । র্সর্নধ নপ মগরস। পঠমঞ্জরীর অপর রূপটি হচ্ছে,
কাফি ঠাটের, দিবা দ্বিতীয় প্রহরে গেয়, বক্রগতির সম্পূর্ণ জাতীয় রাগ।
ব্যবহার দুই গা ও দুই নি। বাদী সম্বাদী সা-পা। আরোহণ-অবরোহণ
হচ্ছে যথাক্রমে, সরগমপদনর্স' । র্সর্নধপমজ্ঞরস। পরিশেষে উল্লেখযোগ্য
যে, পারিজাতের সবগুলি সংস্করণের মধ্যে পঠমঞ্জরীর উল্লেখ নেই। যে
সংস্করণগুলির মধ্যে উল্লেখ নেই, সেগুলির মধ্যে ৫৪ সংখ্যক দীপক রাগটির
পর, তারকা চিহ্নের দ্বারা বোঝানো হয়েছে ৫৫ সংখ্যক একটি রাগের অস্তিত্ব
ছিল এবং তারপর ৫৬ সংখ্যক রাগ হিসাবে রূপায়িত করা হয়েছে ললিতা
নামক রাগটিকে। বস্তুতঃ, পঠমঞ্জরী যে পারিজাতে ছিলই এমন কথা জোর
করে বলার বিপদ আছে। এই রাগটি প্রক্ষিপ্তও হতে পারে। এমন কি
কোন অর্বাচীনের অনধিকার চর্চার ফলও হতে পারে। প্রমাণ “নি-সাদিম”
কথাটি। পা যে রাগের গ্রহস্বর, সে রাগের মূর্চ্ছনা নিশ্চয়ই ষাড়জী হতে
পারে না। তাহলে “সাদিম” কথাটির কী অর্থ হতে পারে? অধিকন্তু,
“সাদিম”-র সঙ্গে “নি” যুক্ত হয়ে ব্যাপারটাকে আরও দুর্বোধ্য করে তুলছে।
অপরপক্ষে, “নি-সাদিম” কথাটির কোন কিছুকেই বর্জন করা চলে না, কারণ,
তাহলে আবার কবিতার ছন্দপতন ঘটে যাবে। তাহলে, এই কথাটির
প্রয়োগজনিত তাৎপর্য কী হতে পারে? এ সম্বন্ধে আমরা জ্ঞানী-গুণীদের
দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পরিশেষে বক্তব্য এই যে, পঠমঞ্জরী পটমঞ্জরী হয়েছে
নিতান্তই উচ্চারণ ভেদে। ৪১৩
যা গৌরীরাগসম্ভূতা ললিত। পঞ্চমোঝ্ঝিতা।
সাংশোদগ্রাহা তথা মন্তা গীতাস্তে সা সুশোভনা ॥ ৪১৪
সরি গম ধনিস সনি ধম গরি সরি সনি সনি সনি ধনি নিসগ গম গরিস নিস
ধনি সনি সনি নিধ মধনি সরি গম গরিস নিধ নিধম মগ রিস রিস নিস মধম ।
সমা গরি সনি সসা। ইতি ললিতা। সর্বদা। ৫৬
ললিতা রাগটির উৎপত্তি হয়েছে গৌরী রাগ (মেল) থেকে। এর পা
স্বরটি একেবারে বর্জিত। গ্রহ ও অংশস্বর হচ্ছে সা। মা ন্যাস স্বর।
অন্যান্য গীত পরিবেশিত হবার পর ললিতা পরিবেশিত হলে, শ্রুতি মধুর
হয়। ৪১৪