सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 120, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंভাবে গাইবার পর দেখা যাবে, গানটি শেষ হচ্ছে সা স্বরকে অবলম্বন
ক'রে। হয়তো গানের সম থাকবে পা স্বরের ওপর; কিন্তু, সামগ্রিক
বিচারে গানটির বা রাগটির বৈশিষ্ট্য বজায় থাকবে,—ন্যাসস্বররূপে সা-কে
অবলম্বন করলে।
অপন্যাসস্বর হচ্ছে,—ন্যাসস্বর বলতে যেমন সমগ্র ভাবে গানের চারটি
পাদ বা তুক-এর শেষ স্বরকে বোঝায়, অপন্যাসস্বর বলতে তেমনি বোঝায়
গানের প্রতিটি পাদের বা তুক-এর শেষ স্বরকে। যেমন, বেহাগের স্থায়ীতে
ন্। সা গা মা পা-র পা স্বর হচ্ছে অপন্যাস স্বর।
সন্ন্যাস স্বর হচ্ছে—অপন্যাস বলতে যেমন পাদ-এর শেষ স্বরকে বোঝায়
সন্ন্যাস বলতে তেমনি বোঝায় পাদেরই পদ বিশেষেব অর্থাৎ পংক্তি
বিশেষের শেষ স্বরকে। (গানের ক্ষেত্রে পদ বলতে যেমন পংক্তি বোঝায়
নিরঙ্কুশ রাগালাপের ক্ষেত্রে পদ বলতে তেমনি বিদারী বোঝায়) অপন্যাস
প্রসঙ্গে, বেহাগের স্থায়ী পাদ-এর শেষস্বর হিসাবে যে পা স্বরটিব ব্যবহার
দেখিয়েছি, সেই পা স্বরটির সঙ্গে যদি গা স্বরের সংবাদ বা সঙ্গতি পরিলক্ষিত
হয়, তাহলে উক্ত গা স্বরটিই হবে সন্ন্যাস। যেমন, পা-মগা।
বিন্যাস স্বর হচ্ছে,—সন্ন্যাসের মধ্যে কথঞ্চিৎ পরিমাণে অলঙ্করণের
আভাষ পরিস্ফুট হলেই, সন্ন্যাস স্বরটি বিন্যাসে পরিণত হয়। যেমন,
বেহাগের পা-ম-গমপমগা। ৩০০।২
একস্ফালন সংজাতশ্চাবিতঃ স্বর উচ্যতে।
চ্যবনং জায়তে যেষু তস্মাত্তে চ্যাবিতা মতাঃ॥ ৩০১
শারীরোঽপি স বিজ্ঞেয়ো স্থানত্যাগেন সংস্বতঃ।। ৩০২।১
একবার মাত্র আস্ফালন দ্বারা কণ্ঠ থেকে যে স্বর নির্গত হয় বা একটি
মাত্র আঘাতের দ্বারা (সঙ্গীত-যন্ত্রের তন্ত্রী থেকে) যে স্বর উদ্ভূত হয়,
তাকে চ্যবিত স্বর বলে। যে স্বর তার নিজের শ্রুতি থেকে বিচ্যুত বা
স্থানভ্রষ্ট হয়ে নির্গত হয় তারই নাম চাবিত স্বর। এই স্ব-স্থানচ্যুত
স্বরগুলি আবার “শারীর” নামেও অভিহিত হয়ে থাকে: ৩০১-৩০২।১
টিপ্পনী : পারিজাতকার এখানে গমকের পরিচয় দিচ্ছেন। কিন্তু এই
চ্যবিত গমকের উল্লেখ রত্নাকরে নেই। প্রসঙ্গক্রমে এখানে একথাও