सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 119, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 119

অংশস্বরের এই উদাহরণ কেবলমাত্র শুদ্ধ-জাতি রাগের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
নচেৎ, জাতি রাগ যখন আবার বিকৃত বা মিশ্র জাতি রাগে পরিণত হয়,
তখন, তার অংশস্বরেরও আবার পরিবর্তন ঘটে। যেমন—
ষড়্জকৈশিকীতে—অংশস্বর তিনটি—সা গা পা
ষড়্জোদাঁচ্যবাতে— ,, চারটি—সা মা ধা নি
ষড়্জমধ্যমাতে— ,, সাতটি—সা রে গা মা পা ধা নি
এখানে দেখা যাচ্ছে অংশস্বর সাতটি পর্যন্ত হতে পারে। সুতরাং প্রমাণিত
হচ্ছে, অংশস্বর বলতে কেবলমাত্র বাদীস্বরকেই বোঝায় না; অনুবাদী স্বর-
গুলি ব্যতীত আর সবগুলি স্বরই রাগের মধ্যে অংশস্বর রূপে ব্যবহৃত
হতে পাবে। এমন কি, রাগ বিশেষের মধ্যে, (যেমন, ইদানীং কালের
ভৈরবী) অনুবাদী স্ববের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে গিয়ে সাতটি স্বরই অংশ স্বররূপে
ব্যবহৃত হতে পারে।
অংশস্বরের সঙ্গে সঙ্গে গ্রহ-ন্যাস প্রভৃতি স্বরের আলোচনাও অপরিহার্য্য,
যেহেতু, গ্রহ, অংশ, ন্যাস-এর ত্রিবেণী সঙ্গম ব্যতীত রাগ সৃষ্টি হতে পারে
না। কিন্তু, আলোচ্য পারিজাতে যদিও বা অংশস্বর সম্বন্ধে একটিমাত্র
পংক্তির সাক্ষাৎ মিলছে, গ্রহ, ন্যাস, অপন্যাস, সংন্যাস, ও বিন্যাস সম্বন্ধে
কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। অগত্যা, আবার আমাদেরকে রত্নাকরের সাহায্য
গ্রহণ করতে হচ্ছে। রত্নাকর বলছেন—
গীতাঙ্গি নিহিত স্তত্র স্বরো গ্রহ ইতারিতঃ।
অর্থাৎ, যে স্বরটিকে অবলম্বন ক'রে গান বা রাগালাপ আরম্ভ হয়, তাকেই গ্রহ
স্বর বলে। যেমন, বেহাগ রাগের নি। অধুনা প্রচলিত বেহাগ রাগটি
সাধারণত আরম্ভ হয় ন্। সা মা গা মা পা বা ন্। সা গা মা পা-রূপ স্বর
সন্নিবেশ দ্বারা। এ ক্ষেত্রে বেহাগের গ্রহস্বর হচ্ছে নি। অধিকন্তু, এই
গ্রহস্বরটি, গ্রহস্বর ছাড়াও, বাদী সমবাদী ও অনুবাদী স্বররূপেও ব্যবহৃত
হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গ্রহস্বরের সঙ্গে অংশস্বরের পার্থক্য এই যে,
অংশস্বরও বাদী সমবাদী স্বররূপে ব্যবহৃত হয়; কিন্তু কোন অজুহাতেই
অনুবাদী স্বররূপে পরিগণিত হয় না; বিবাদী তো হতেই পারে না।
ন্যাসস্বর হচ্ছে,—যে স্বরে গান বা রাগালাপ শেষ হয়। যেমন বেহাগের
সা। স্থায়ী অন্তরা সঞ্চারী ও আভোগ, এই চারটি পাদ বা তুক্ সম্পূর্ণ