सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 11, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 11

[ ৮ ]

পারিজাত-রূপে যে গ্রন্থটির সঙ্গে আমরা পরিচিত, তারও শেষাংশের কতকগুলি
সূত্র অহোবল-রচিত আর কতকগুলি সূত্র প্রক্ষিপ্ত, সে সম্বন্ধে বিশদ আলোচনার
অবকাশ আছে। এতাবৎকালের মধ্যে আমরা যতগুলি অহোবল-রচিত
পারিজাতের সন্ধান পেয়েছি তার ৪৯৭ সূত্র পর্য্যন্ত অভিন্ন লেখকেরই রচনা—
নিঃসন্দেহ। কিন্তু এর পরবর্তী কয়েকটি সূত্রের মৌলিকতা সম্পর্কে কেউ যদি
প্রশ্ন তোলেন, আমরা বোধহয় যথাযথ প্রমাণ দাখিল করে আত্মপক্ষ সমর্থন
করতে পারবো না। বলা বাহুল্য, আলোচ্য গ্রন্থের টীকা-ভাষ্য করবার সময়
আমরা অসম্পূর্ণ ও প্রক্ষিপ্ত দোষে দুষ্ট সূত্রগুলি সম্পর্কে যথাস্থানে যথাযথ ভাবেই
আলোচনা করবার চেষ্টা করেছি।
পূর্ব্বেই বলেছি, হাথরাস সঙ্গীত কাৰ্য্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত পারিজাতের
অনুবাদক কলাকোবিদ কলিন্দজী পারিজাতের শুদ্ধ ঠাটকে বর্তমানের
বেলাবল ঠাটের অনুরূপ কল্পনা করে গ্রন্থ রচনা করেছেন। এই গ্রন্থটির
মধ্যে দেখা যায় নীট ৫০০-টি সূত্র স্থান পেয়েছে এবং রাগাধ্যায়ের মধ্যে
এমন তিনটি সূত্রকে সংযোজিত করা হয়েছে যার পূর্ব্বাপর পরিচিতি
বিশ্লেষণ করে জানতে পারা যায় আলোচ্য সূত্র তিনটি এমনই একজন
পণ্ডিতের রচনা যিনি—কলাকোবিদ কলিন্দজীর মতোই জানতেন না
পারিজাতের শুদ্ধ ঠাট্ ছিল কাফি—একালের বেলাবল নয়। পরন্তু,
আলোচ্য সূত্র তিনটিকে প্রমাণরূপে দাখিল করবার অজুহাতে উক্ত
সূত্র-রচয়িতা অহোবলের মূল সূত্রটিকে (সূত্রসংখ্যা ৪৮৮, যার ব্যতিক্রম
হাথরাস-প্রকাশিত পারিজাত ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় নি) পর্য্যন্ত
বিকৃত করে ছেড়ে দিয়েছেন। সাধারণভাবে পারিজাত আলোচনা করে আমরা
দেখতে পাই, রাগাধ্যায়ের মধ্যে অহোবল সাকুল্যে ১২২-টি রাগের পরিচয়
দিয়েছেন। কিন্তু, হাথরাসের পারিজাতে দেখা যাচ্ছে, যথাক্রমে, ৪৮৮,
৪৮৯ ও ৪৯০ সূত্রের অন্তর্গত হয়ে শুদ্ধ কৈশিক, তেরঙ্গ ও ভীমপলাসিকা
নামক অতিরিক্ত তিনটি রাগ স্থান পেয়েছে এবং রাগের সংখ্যা ১২২-এর স্থানে
১২৫-টি হয়ে যাওয়ার ফলে ৪৯৭ সংখ্যক সূত্রটিও পরিণত হয়েছে ৫০০-এ।
আমাদের সংগৃহীত পারিজাতগুলির ৪৮৮ সূত্রে দেখা যায়—
অনেনৈব প্রকারেণ রাগা অপামিতা মতাঃ।
দ্বাবিংশত্যা শতং তে চ প্রোক্তা লোকসুখায় চ॥