सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 305, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 305

সঙ্গীত পারিজাত ২৯১
টিপ্পনী : ছন্দ-বিজ্ঞান অনুযায়ী তোটক হচ্ছে জগতী জাতীয় ছন্দ। এই
ছন্দের বৃত্ত রচিত হয় দ্বাদশটি অক্ষরের সাহায্যে। গানের প্রতি পাদে
যথাক্রমে চারটি করে স-গণের ( ।।S+।।S+।।S+।।S ) প্রয়োগ দ্বারা এই তোটক
ছন্দ রচিত হত। বলা বাহুল্য, আজকের দিনের সংজ্ঞা নিয়ে ।=একমাত্রা
ও S=দু মাত্রা হিসাবে যদি গ্রহণ করা যায় তাহলে স-গণের মাত্রা সংখ্যা
হয়ে যাবে চার-চার। এবং চারটি স-গণের মাত্রা সংখ্যা দাঁড়াবে,
সাকুল্যে ষোল-ষোল। কিন্তু, আলোচ্য ক্ষেত্রে লক্ষ্য করবার বিষয় ১২-টি
অক্ষরের সমষ্টি—মাত্রা ৩২। অর্থাৎ, তোটক প্রবন্ধ রচনা করবার সময়
রচয়িতাকে এমনভাবে বর্ণ সংগ্রহ ( coin ) করতে হতো, যেগুলির যথাযথ
বিন্যাসের ফলস্বরূপ তোটকের দ্বাদশ অক্ষর ও চারটি স-গণের অস্তিত্ব
গানের মধ্যে বজায় থাকতে পারতো।
তোটক প্রবন্ধ ছিল দ্বিধাতুক নিযুক্ত প্রবন্ধ। এর প্রথম অংশটি হতো
উদ্‌গ্রাহ ও অপর অংশটি হতো ধ্রুব। অতঃপর শিল্পী ইচ্ছা করলে আভোগের
অনুষ্ঠানও করতে পারতো। এই প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য ছিল প্রতি পাদের শেষে
স্বর যুক্ত করা। ৫৮৮-
রাগাণাং মিশ্রণাদেব সংজ্ঞাতো রাগ-মিশ্রকঃ ॥ ৫৮৯ ১
অনেক রাগের মিশ্রণ ঘটিয়ে যে প্রবন্ধ রচিত হয়, তাকেই বলে রাগ-মিশ্রক
প্রবন্ধ। ৫৮৯ ২
টিপ্পনী : শ্লোকে নূতনত্ব নেই। ইহা শার্ঙ্গদেবেও আছে
এবং উভয় গ্রন্থেই একথা বিবৃত হয়েছিল। স্পষ্টতঃ, প্রবন্ধটির মধ্যে
অনেকগুলি রাগ সংযুক্ত করবার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু, আলোচ্য ক্ষেত্রে
রাগ-মিশ্রণ অর্থে ইটের বন্দিশ তৈরি করার মতো কোন কিছু বোঝাচ্ছে না।
বস্তুতঃ, রাগ-মিশ্রণ অর্থে এক রাগের সঙ্গে আর একটি রাগ মিশিয়ে কোন
রকম “ধুন” তৈরি করা হতো না বা “ছায়ালগের” অস্তিত্বকেও প্রকট
করে তোলা হতো না। এই প্রবন্ধের প্রতিটি পদে ও বৃত্তের মধ্যে রাগ-ভেদ
দেখাবার ব্যবস্থা ছিল বটে, কিন্তু এই ভেদ দেখাবার অজুহাতে কোন
রাগের সুস্পষ্ট রূপকে অস্পষ্ট করে তোলবার অবকাশ ছিল না বা একটি
রাগরূপকে বিদায় দিয়ে আর একটি রাগকে স্বাগত জানাবার সন্ধিক্ষণে “ক্ষণ-
বিভ্রম” সৃষ্টির অধিকারও স্বীকৃত হতো না।