सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 304, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৬০ সঙ্গীত পারিজাত
অতি সাবধানে, অতীব শুদাচারে, এই সর্বমন্ত্রময়ী সর্বসিদ্ধিপ্রদায়িনী মাতৃকা
প্রবন্ধ পরিবেশন করা কর্ত্তব্য।
টীকাকার কল্লিনাথের মতানুযায়ী মাতৃকা প্রবন্ধ ছিল উদ্গ্রাহ, ধ্রুব ও
আভোগযুক্ত ত্রিধাতুক নিযুক্ত প্রবন্ধ এবং এর মধ্যে "গাতা" ও "নেতার"
ভণিতা যুক্ত করা ছিল অবশ্য কর্ত্তব্য। কিন্তু প্রবন্ধটির ধাতু-বিভাগ সম্বন্ধে
কল্লিনাথ যে নির্দেশ বা মন্তব্য করে গিয়েছেন সে সম্বন্ধে আলোচনার অবকাশ
আছে। যেমন, তিনি বলেছেন, মাতৃকার প্রথম থেকে ষোড়শ পদ পর্য্যন্ত
অর্থাৎ "অ" থেকে "ঘ" পর্য্যন্ত উদ্গ্রাহ। 'ঙ' থেকে পঞ্চবিংশ পঙ্ক্তি পর্য্যন্ত
ধ্রুব এবং আভোগ ধাতুর পদসমূহ কোন নির্দিষ্ট পদসংখ্যার বিষয়ীভূত নয়।
বলা বাহুল্য, উদ্গ্রাহ ও আভোগ সম্পর্কে টীকাকারের নির্দেশ বা মন্তব্য
সহজবোধ্য। কিন্তু, ধ্রুবর পদসংখ্যাটি কী ভাবে গণনা করা হতো ঠিক
বোঝা যাচ্ছে না। উদ্গ্রাহর সমাপ্তি যদি “ঘ” বর্ণে হয় তাহলে ধ্রুবর প্রারম্ভ
“ক”-থেকে হতে পারার এই বর্ণে। টীকাকার যে ভঙ্গিতে উদ্গ্রাহ পদ-
সংখ্যাটির নির্দেশ করেছেন তাতে মনে হয় তিনি ধ্রুব ও আভোগের পদ
সংখ্যাটিকে সামগ্রিক হিসেবেই গ্রহণ করেছেন। কিন্তু, ধ্রুবর পদচয়
প্রসঙ্গে '১' বর্ণ থেকে পদ আরম্ভ করার নির্দেশ দিয়ে “ঘ” থেকে 'ক, খ, গ'
পেছিয়ে পদের নির্দেশ দিচ্ছেন কি না বা ধ্রুব ধাতুর প্রারম্ভ থেকে বাস্তববর্ণের
আদি বর্ণটিকেও ধ্রুবব পদ হিসাবে গ্রহণ করতে বলছেন, ঠিক বোঝা
যাচ্ছে না। অবশ্য, প্রবন্ধের পর্যায় ব্যবস্থা সুরট গানের মত ছিল না।
প্রবন্ধ গানে একই পদকে একাধিক পর্যায়ের মাধ্যমে পরিবেশন করারও
ব্যবস্থা ছিল। আলোচ্যক্ষেত্রেও আভোগ ধাতুটির প্রয়োগ পরিবেশনা সম্পর্কে
অনুরূপ ব্যবস্থার গৃহীত হতো বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু, যে উদ্গ্রাহ ধাতুর
পদ-সংখ্যাটি ষোড়শে সীমিত তার পরবর্তী ধ্রুব ধাতুর আদি পদ ১৩ বা
“ক”-তে কী করে হতে পারে। ১৩ ও ১৬ সংখ্যক বর্ণ তথা পংক্তির অন্তর্গত
তিনটি পংক্তির “ছেদ”-কে কী ভাবে ধাতু ব্যবস্থার মধ্যে যোজিত করে
প্রবন্ধ-সঙ্গীত-বিজ্ঞানের আইন বজায় রাখা হতো, সেটা ঠিক বোঝা
যাচ্ছে না। ৫৬৫
তোটক স্তোটকেনৈব বৃত্তেন স বিরাজতে ॥ ৫৬৬-১
তোটক ছন্দে বিরচিত প্রবন্ধকে তোটক প্রবন্ধ বলে। ৫৬৬-১