सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 306, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৯২ সঙ্গীত পারিজাত
রত্নাকরে আলোচিত রাগ-কদম্বক প্রবন্ধ ছিল মূলতঃ দু'রকমের—
নন্দ্যাবৰ্ত্ত ও স্বস্তিক। অপরপক্ষে স্বস্তিকের ভেদ ছিল আবার চার
রকম। যথা:—
নন্দ্যাবৰ্ত্ত—এতে চার রকমের ছন্দ, চার রকমের তাল এবং প্রতিটি পদে ও বৃত্তে
রাগ-ভেদ দেখানো হতো। বলা বাহুল্য, প্রবন্ধটির নাম রাগ-মিশ্রক
তাল-মিশ্রক নয়। তাই, ক্ষেত্রবিশেষে, কোন শিল্পীর পক্ষে
একটিমাত্র তালের সাহায্যেও নন্দ্যাবর্ত পরিবেশন করবার অধিকার
স্বীকৃত হতো, কিন্তু ছন্দ ও রাগ-ভেদের সংখ্যা চারটির কম
করবার উপায় ছিল না।
স্বস্তিক (১)—নন্দ্যাবৰ্ত্তের বিধি-ব্যবস্থা দ্বিগুণিত হলে ( ৪ × ২ = ৮ ) প্রবন্ধ’ম
স্বস্তিক-অঙ্ঘ্রিপত্র নাম গ্রহণ করতো। অর্থাৎ, প্রবন্ধের মধ্যে চারটির
স্থলে আটটি ছন্দ ও রাগ এবং অন্ততঃপক্ষে দু'টি অথবা তদধিক
( আটটি পর্যন্ত ) তাল সংযুক্ত হতো।
স্বস্তিক (২)—স্বস্তিক অঙ্ঘ্রিপত্রর বিবিধ-ব্যবস্থা দ্বিগুণিত ( ৮ × ২ = ১৬) হলে,
প্রবন্ধটির স্বস্তিক অঙ্গ্রপদ নাম গ্রহণ করতো।
স্বস্তিক (৩)—স্বস্তিক অঙ্গ্রপদের বিধি-ব্যবস্থা দ্বিগুণিত ( ১৬ × ২ = ৩২ ) হলে,
প্রবন্ধটি স্বস্তিক ভ্রমর নাম গ্রহণ করতো।
স্বস্তিক (৪)—স্বস্তিক-ভ্রমরের বিধি-ব্যবস্থা দ্বিগুণিত ( ৩২ × ২ = ৬৪ ) হলে,
প্রবন্ধটিকে স্বস্তিক-আম্রেড়িত হিসাবে চিহ্নিত করা হতো।
বলা বাহুল্য, একই প্রবন্ধের মধ্যে ৬৪ রকমের বৈচিত্র্য সংযুক্ত করা
যত না কঠিন ছিল, তার চাইতেও কঠিন ছিল উক্ত ৬৪ প্রকারকে
পুনরুক্তির সম্ভাবনা থেকে মুক্ত রাখা। আমাদের মনে হয়, এই
পুনরুক্তির সম্ভাবনাটিকে দোষ হিসাবে গ্রাহ্য না করার কারণেই
আলোচ্য প্রকারটির নামকরণ করা হয়েছিল আম্রেড়িত—যার
অর্থ পুনরুক্তি।
টীকাকার কল্লিনাথের মতানুযায়ী রাগ-কদম্বক ছিল উদ্গ্রাহ ও ধ্রুবযুক্ত
দ্বিধাতুক নির্যুক্ত প্রবন্ধ। কিন্তু, এই ধাতু-অঙ্গ পরিবেশনের ক্ষেত্রে শিল্পীর
পক্ষে একটি বিশেষ সুযোগ গ্রহণের সুবিধা ছিল। সুবিধাটা এই যে,
প্রবন্ধ-গীতি-পদ্ধতির অন্তর্গত গানের বক্তব্যময়ী ধাতু-অঙ্গের পরিপূরক নির্দিষ্ট