सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 66, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৫০ সঙ্গীত পারিজাত
যদি শুদ্ধ সা স্বরটি বাদ পড়ে যায়, তাহলে কিছুতেই মূর্ছনা তৈরী হ'তে
পারে না এবং তার সংখ্যাও ১৬ হ'বে না। অধিকন্তু, বিকৃত গান্ধারের
ষাড়ব মূর্ছনার যথাযথ ভেদ নির্ণয় করতে করতে অহোবল অকস্মাৎ
তীব্রতম গা স্বরটির কথা বিস্মৃত হবেন কেন, সে সমস্যাও অনুধাবনযোগ্য।
ফলে, এই সমস্যা সমাধানের আশায়, আমার পূর্ব্ববর্তী পারিজাত-ব্যাখ্যাকার-
দের অন্যতম ভালচন্দ্র সূকথনকারের ব্যাখ্যাই সঙ্গতিপূর্ণ বলে গ্রহণ করছি।
ইনি পঞ্চভিঃ স্বরৈ-র পরিবর্ত্তে গান্ধারৈশ্চ চতুঃস্বরৈঃ পাঠ কল্পনা ক'রে (গা
স্বরের চতুর্থ বিকৃতির তীব্রতম গা-কে গ্রহণ করেই) মূর্ছনা তথা সূত্রের
ব্যাখ্যা করেছেন এবং আমার আচার্য্যদেব স্বর্গীয় ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়
চৌধূরী মহাশয়ও সূকথনকারের ব্যাখ্যাকে যথার্থ ও সঙ্গতিপূর্ণ বলে গ্রহণ
করেছিলেন। বলাবাহুল্য, পঞ্চভিঃ-র স্থলে ততিভিঃ শব্দটিও অনুমান করা
যেতে পারে এবং গান্ধারৈশ্চ চতুঃস্বরৈঃ বা ততিভিঃ—যে কোন শব্দযোগে এই
সূত্রের ব্যাখ্যা করলে, তবেই অহোবল বিবৃত মূর্ছনার ১৬ সংখ্যাটি মেলে,
নচেৎ মেলে না।
চতুর্ভিশ্চ রিভিস্তত্র গান্ধারৈঃ পঞ্চভিঃ (?) স্বরৈঃ।
ষন্নবতির্নি-হীনাঃ স্যুর্ভেদা উক্তা মনীষিভিঃ ॥ ১৫৭
গুণী-জ্ঞানীরা বলেন, চারটি বিকৃত রে ও চারটি বিকৃত গা, বাকি চারটি
শুদ্ধ স্বরের সঙ্গে পরের পর মিলে মূর্ছনা তৈরী করলে, তাদের নি-বর্জ্জিত
ষাড়ব মূর্ছনার সংখ্যা হয়, ৪ × ৪ = ১৬ × ৬ = ৯৬ প্রকার। ১৫৭
রিভিস্ত্রিভিস্তথা মৈশ্চ ভেদাঃ স্যুরব্ধিরাশুগাঃ।
এবং রিভিস্তথা ধৈশ্চ ভেদাস্তাবন্ত এব হি ॥ ১৫৮
• রে ও মা স্বরের প্রত্যেকের তিন রকম বিকৃতি, বাকি চারটি শুদ্ধ স্বরের
সঙ্গে মিলে মূর্ছনায় পরিণত হ'লে, তাদের মোট সংখ্যা হয়, ৩ × ৩ = ৯ × ৬ =
৫৪ প্রকার। অনুরূপ, তিন রকমের বিকৃত রে-ধা স্বরও বাকি চারটি শুদ্ধ
স্বরের সঙ্গে মিলে মূর্ছনা তৈরী করলে, তাদেরও মোট সংখ্যা হয় ৩ × ৩
= ৯ × ৬ = ৫৪ প্রকার। ১৫৮