सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 51, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 51

সঙ্গীত পারিজাত ৩৫

স্বরটিকে গ্রহণ ক’রে। কিন্তু, বিশেষভাবে, গন্ধর্ব্বদের (যারা মার্গ সঙ্গীত
গাইত) দ্বারা পরিবেশিত হ’তো বলেই, কালক্রমে, গ্রামটির নাম হ’য়ে যায়
গন্ধর্ব্ব গ্রাম এবং গান্ধার-গ্রাম নাম পরিগ্রহ করে আরও পরবর্তীকালে—
গন্ধর্ব্ব কথাটার অপভ্রংশ হিসাবে। অপরপক্ষে, এই গ্রামটির স্বর্গপ্রাপ্তির
কারণও হচ্ছে গন্ধর্ব্বদের প্রতিপাদ্য মার্গ সঙ্গীতের বিলুপ্তি। বলাবাহুল্য,
মার্গ-সঙ্গীত বিলুপ্ত হওয়ার অন্যতম কারণ যে গান্ধার গ্রামের বিলুপ্তি সে সম্বন্ধে
সন্দেহের অবকাশমাত্রও নেই। কিন্তু, মুস্কিল বাধিয়েছে ওই নিষাদ গ্রামটি।
আমরা অনেক চেষ্টা করেও কোন প্রাচীন সঙ্গীত গ্রন্থের মধ্যে নিষাদ গ্রামের
পরিচয় আবিষ্কার করতে পারিনি। বরং লক্ষ্য করেছি, অনেকে “নৈষাদী-
রীতি”র তাৎপর্য্য উপলব্ধি করতে না পেরে নৈষাদী জাতিকে নিষাদ গ্রামরূপে
ভুল করেছেন। যাই হোক, আমরা যখন দেখতে পাচ্ছি, নাট্যশাস্ত্রকার
ভরতও গান্ধার গ্রাম সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, তখন, নিষাদ
গ্রামের অস্তিত্ব সম্বন্ধে উৎকণ্ঠা পোষণ করবার কোন যুক্তি দেখিনা। বস্তুতঃ
খৃঃ পূর্ব্ব যুগে গান্ধার গ্রামের অস্তিত্ব ছিল নিঃসন্দেহ; কিন্তু পরবর্তী যুগের
সঙ্গীত শাস্ত্রকারগণ এই গ্রামের অন্তর্গত স্বরগুলির স্বরূপ জানতেন কি না
সন্দেহ। আমাদের মনে হয়, তাঁরা কেবলমাত্র গান্ধার গ্রামের শ্রুতি-
বিভাগটিকে কোন রকমে সংগ্রহ করে লিপিবদ্ধ করে গিয়েছিলেন নিজেদের
গ্রন্থের মধ্যে এবং আজকের দিন পর্যন্ত এইটুকু ইতিহাসই অস্তিত্ব রক্ষা
করছে বিলুপ্ত গান্ধার গ্রামের। সত্যি কথা বলতে কি, এই স্বর্গপ্রাপ্তির নিগূঢ়
কারণটি হচ্ছে সঙ্গীত শিল্পীর অক্ষমতা। সংলগ্ন গ্রাম-চক্রের অন্তর্গত গান্ধার
গ্রামের সপ্তকটির প্রতি লক্ষ্য করলেই এই অক্ষমতার রহস্যটি বোধগম্য হবে।
গান্ধার গ্রামের স্বরগুলি যে যে শ্রুতিতে নিষ্পন্ন হ’তো, সেই সব শ্রুতিকে
প্রকট করে তুলে স্বর নিষ্পন্ন করতে পারা আজকের দিনের শিল্পীদের পক্ষে
যেমন অসম্ভব, তেমনি অসম্ভব ছিল আলোচ্য যুগের শিল্পীদের পক্ষেও।
আজকের দিনে আমরা যেমন বিলাবল ঠাটকে শুদ্ধ ঠাটরূপে গ্রহণ করে কণ্ঠ
সাধনা করি, তেমনি, আলোচ্য যুগের শিল্পীরাও কাফি ঠাটের মতো একটা
ঠাটকে শুদ্ধ ঠাটরূপে গ্রহণ করে কণ্ঠ সাধনা করতেন। কিন্তু, আজকের
দিনের আমাদের পক্ষে যেমন পারিজাতের পূর্ব্ব রে, তীব্র ও তীব্রতম গা, তীব্র ও
তীব্রতম মা, পূর্ব্ব ধা, এমন কি শুদ্ধ ধা স্বরটিকে পর্য্যন্ত সঠিকভাবে নিষ্পন্ন করা
কঠিন, তেমনি, অসম্ভব ছিল আলোচ্য যুগের শিল্পীদের পক্ষেও পূর্ব্ববর্তীকালের