सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 50, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩৪ সংগীত পারিজাত
ভারতীয় সঙ্গীতের গ্রাম ও তার মূর্ছনাদির গুরুত্ব অপরিসীম। এ সম্বন্ধে
আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত-যোগী স্বর্গগত ভাতখণ্ডেজী বলে গেছেন,
"আমাদের পুরোণ সঙ্গীতে, প্রাচীন পদ্ধতির গ্রাম রচনা অতি সুষ্ঠুভাবেই
প্রযুক্ত হতো। বস্তুতঃ, এই আমলে আমাদের দেশের সঙ্গীত প্রগতি অব্যাহতই
ছিল। সুতরাং, বর্তমানের সঙ্গীত শিক্ষার্থীদেরও কর্তব্য এই গ্রাম-ত্রয় সম্বন্ধে
অবহিত হওয়া।"—কিন্তু, এ সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা করা আপাততঃ
আমাদের পক্ষে সম্ভবপর হচ্ছে না, স্থানাভাব নিবন্ধন। আপাততঃ, বিলুপ্ত
গান্ধার গ্রাম সম্বন্ধে যৎকিঞ্চিৎ আলোচনা করে আমরা এ প্রবন্ধ শেষ করবো।
প্রাচীন সঙ্গীতশাস্ত্রকারদের মধ্যে, সম্ভবতঃ, পারিজাতকার অহোবলই হচ্ছেন
একমাত্র শাস্ত্রকার যিনি, গ্রাম-ত্রয়ের আলোচনা প্রসঙ্গে গুরুত্ব আরোপ
করেছেন কেবলমাত্র ষড়জ গ্রামটির ওপরেই। কিন্তু, অন্যান্য গ্রন্থে দেখা যায়,
ষড়জ গ্রামের গুরুত্ব সর্বাধিক হলেও মধ্যম গ্রামটিকেও কেউ একেবারে ত্যাগ
করেন নি। যেমন, সঙ্গীত দর্পণকার দামোদর মিশ্র (১৬২৫ খৃঃ অঃ) বলেছেন,
গ্রামঃ স্বর-সমূহঃ স্যাৎ মূর্ছনাদে সমাশ্রয়ঃ।
তৌ দ্বৌ ধরাতলে তত্র স্যাৎ ষড়জ গ্রাম আদিমঃ॥ ৭৫
দ্বিতীয়ো মধ্যমগ্রামস্তয়োর্লক্ষণমুচ্যতে॥ ৭৬
···তাশ্চস্বর্গে প্রযোক্তব্যা বিশেষাদত্র নোদিতাঃ॥ ৯৯
অর্থাৎ—
গ্রাম হচ্ছে মূর্ছনার আধার স্বরূপ স্বর সমষ্টি এবং তিনটি গ্রামের মধ্যে,
ইহলোকে প্রচলিত আছে মাত্র দুটি গ্রাম, ১। ষড়জ গ্রাম ও ২। মধ্যম
গ্রাম। এদের লক্ষণ সমূহ বলা যাচ্ছে। তৃতীয় গ্রামটি স্বর্গলোকে প্রযুক্ত হয়
বলে, তার সম্বন্ধে কিছু বলা হচ্ছে না।
বস্তুতঃ মধ্যম গ্রামটি যে গান্ধার গ্রামের মতো স্বর্গপ্রাপ্ত গ্রাম নয় তার
প্রমাণ আজও আমরা পেয়ে থাকি, ললিত, পঞ্চম, মালকোষ, বসন্ত প্রভৃতি
রাগের স্বরূপ প্রত্যক্ষ করে, কিন্তু, অতি প্রাচীন গ্রাম তিনটির মধ্যে দুটি
গ্রাম প্রচলিত রইল, অকস্মাৎ গান্ধার গ্রামটি বিলুপ্ত হলো কেন ?
এ সম্বন্ধে, একালের একজন খ্যাতনামা সঙ্গীত-কোবিদ্ লিখেছেন, গান্ধার
গ্রামটি ছিল আসলে নিষাদ গ্রাম। অর্থাৎ, এর মূর্ছনা আরম্ভ হ’তো নি