सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 352, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৩৩৮ সঙ্গীত পারিজাত
'পরিচিতি' পত্রস্থ করেন নি, সে কথা ৬১২-১৪ সূত্রের টিপ্পনীতে বলেছি।
উপরোক্ত ২৯ সংখ্যক অধম গায়ক 'ঊর্দ্ধগায়ী'-র সঙ্গে ৬ সংখ্যক অধম গায়ক
'করালী'-র পার্থক্যটাও অনুধাবনযোগ্য। 'করালী'-গণ সমগ্র মুখ-মণ্ডলটিকে
উঁচু করতো এবং 'ঊর্দ্ধগায়ী'-গণ কেবলমাত্র মুখটি উঁচু করে গান গাইতো।
পার্থক্যটা সম্ভবতঃ অনেকের নিকটেই সুস্পষ্ট হবেনা। ৬৩০
দ্বৌ দোষৌ পুনরুচ্যেতে ইতি পাদপ-শাবকৌ।
তাল রাগৌ ন জানাতি যো গায়েৎ পাদপো ভবেৎ॥
অজ্ঞাত্বা গীতমর্থং যো গায়েদসৌ তু শাবকঃ॥ ৬৩১
পরিশেষে, 'পাদপ' ও 'শাবক' নামক আরও দু' রকম অধম গায়কের
লক্ষণ বলা যাচ্ছে। যে গায়ক রাগ ও তাল সম্বন্ধে অনভিজ্ঞ অথচ গান গাইবার
প্রলোভন ত্যাগ করতে পারেনা তাকে বলে 'পাদপ'। আর যে গায়ক গানের
অর্থ না বুঝে গান করে তাকে বলে 'শাবক'। ৬৩১
টিপ্পনী: গ্রন্থ অনুল্লিখিত ত্রিশ সংখ্যক অধম গায়করূপে 'পাদপ' ও
'শাবক'-কে গণনা করা যেতে পারেনা যেহেতু সংখ্যাটা তাহলে একত্রিশ
হয়ে যাবে। কিন্তু, পাদপ ও শাবক-কে 'অধম গায়কদের' মূল শ্রেণী-বিভাগের
মধ্যে স্থান না দিয়ে অধিকন্তু হিসাবে পরিচিত করা হলো কেন, সেটাও
বিবেচ্য। বিবেচ্য, এই দুটি 'অধম'-কে, পারিজাতের বিষয় বস্তুরূপে, অহোবলের
পরবর্তীকালে সংযোজিত করা হয়েছিল কিনা।
ইতি গায়ক গুণদোষ।
ইতি কৃষ্ণপণ্ডিত সুতাহোবল-বিরচিতে
সঙ্গীত পারিজাতে রাগ গীত-বিচারোনাম
প্রথমঃ কাণ্ডঃ
ইতি শ্রীভারতী-পুত্র
জ্ঞানাচার্য্য-বীণকার শ্রীপ্রমথনাথ দেবশর্মনঃ
শিষ্যাধমশ্চতুর্বিংশ পরগণান্তর্গত রামবাটী-গোপালনগরনিবাসী
মিত্রকুলোদ্ভব শ্রীমণীন্দ্রনাথ মিত্র-সুত-শচীন্দ্রনাথ মিত্রবিরচিতমনবদ্য
বিদ্যাবিনোদ শ্রীমদহোবলকৃত সঙ্গীত-পারিজাত-ভাষ্যমিদম্
নেত্রবাণ ত্রয়োদশ বঙ্গাব্দে অক্ষয়-তৃতীয়া-দিবসে সমাপ্তম্।
শুভমস্তু